মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের সব দোকানই যেন এখন মুদি দোকান হয়ে গেছে। সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা চালু রাখার জন্য বাজারের প্রায় দোকানদারই কিছু চালের বস্তা আর তেলের বোতল দিয়ে কৌশল করছে। ফলে জনসমাগম রোধ করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

এমনই মন্তব্য করেছেন সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার। তিনি ৩০ মার্চ সোমবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে ব্যবসায়ীদের এমন অপকৌশল দেখে এমন মন্তব্য করেছেন। এসময় তিনি শহরের কয়েকটি দোকানে জরিমানাও করেছেন।

দিনব্যাপী পরিচালিত এ মোবাইল কোর্টে শহরের কলিম মোড়ের একটি ওষুধের দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ থাকায় তা জব্দ করে ধ্বংস করাসহ ১ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছেন। সে সাথে শহীদ ডাঃ জিকরুল হক সড়কে রিমন স্টোরকে ২ হাজার টাকা ও ৪ জন পথচারীর প্রত্যেককে ৫শ’ টাকা করে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন। এসব টাকা তাৎক্ষনিক আদায় করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার পরিমল কুমার সরকার বলেন, সৈয়দপুরের ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণকে কোনভাবেই করোনার ভয়াবহতা উপলব্ধি করানো যাচ্ছেনা। তারা সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে যেমন ঘরের বাইরে আসছেন, তেমনি দোকান খুলে রেখে ব্যবসা পরিচালনাও করে চলেছেন।

অযথা শহরে ঘোরাঘুরি করছেন এবং যেখানে সেখানে জটলা করে গল্পগুজবে মত্ত থাকছেন। এতে করোনার বিস্তার ঘটার সমুহ আশংকা রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে বার বার তাগিদ দেওয়ার পরও তাদের মাঝে নিজস্ব প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা।

এসময় তার সাথে ছিলেন, সৈয়দপুর থানার এএসআই নুর আলম, এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার রিপন কুমারসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীবৃন্দ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য