দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বৈশিক করোনাভাইরাস সংক্রমিতরোধে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা, স্বাস্থ্যবিভাগ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, থানা পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরের পক্ষ থেকে জনগণকে বাড়ি থেকে বের না হতে বলা হলেও হাট-বাজারগুলোতে বাড়ছে জনসমাগম।

রোববার পৌরবাজারসহ আশপাশের গ্রাম-গঞ্জের বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা রয়েছে মাছ-মাংস, মুরগি, মুদিখানাসহ বিভিন্ন সবজি দোকান।

সেগুলোতে অহেতুক জমছে ভিড়। কেউ কেউ আড্ডা দিচ্ছেন। আবার কেউ বাহিরের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ভাইরাসটি সংক্রমিত হতে পারে জেনেও অসচেতন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। প্রশাসন থেকে মাইকিং করে ঘরে থাকতে বললেও এই নিদের্শনা অনেকাংশেই উপেক্ষিত হচ্ছে।

বাজার করতে আসা শহিদুল ইসলাম, মিলন সাহা বলেন, বাসায় খরচ নেই, তাই কাঁচা শাক-সবজি ও কিছু ময়মসল্লা কিনতে বাজারে এসেছেন। বাজারে অনেকে অহেতুক ঘোরাফেরাসহ আড্ড মারছেন লোকজন। সকালে মাছ হাটিতে যে মেলা বসছে মানুষের। কোনভাবেই সকাল ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোনভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না জনসমাগম।

মুদি দোকানদার সুশিল পাল, শাকিল ইসলাম বলেন, দোকানে কাউকে ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না। যার যা লাগছে কিনেই সাথে সাথে চলে যাচ্ছেন। তবে পথে পথে কিছু লোকজন ঘোরাফেরা করছেন। তারা কিছুই কিনছেন না।

কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী হারুন উর রশিদ, মমতাজ উদ্দিন বলেন, কাঁচাবাজার করতে বহু লোকজন আসছেন। তাদের কারণে কিছুটা জনসমাগম ঘটছে। তবে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনানুযায়ী ভিড় জমতে দেওয়া হচ্ছে না। একে একে বাজার খবর করে ফিরে যাচ্ছেন।

রিকশা-ভ্যান চালক কাশেম আলী, শফিক, রবি রায় বলেন, বাসায় বসে থাকলে খাবো কি? পেটের দায়ে বাসা থেকে বের হতে হচ্ছে। তবে লোকজন বাজারে থাকায় ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রশাসন, সেনা সদস্য, থানা পুলিশসহ জনপ্রতিনিধিরা জনসমাগম ঠেকাতে কাজ করছেন। তবে অহেতুক কেউ জনসমাগম ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য