করোনা ভাইরাসের ‘কোভিড-১৯’ পরিস্থিতি ভয়াবহতার কারণে কানাডার দু’টি প্রদেশ অন্টারিও এবং কুইব্যাকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ মার্চ অন্টারিও’র প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড অন্টারিওতে ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা দিলেন। অন্টারিওর চিফ মেডিকেল অফিসার অফ হেলথের পরামর্শের ভিত্তিতে এ কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো বলে ডাগ ফোর্ড জানান। পরে কুইব্যাকেও এই আদেশ জারি করা হয়! কানাডায় এই ধরণের জরুরি অবস্থা এই প্রথম বলে খবরে প্রকাশ।

অন্টারিও প্রাদেশিক সরকারের এই লক ডাউনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন টরন্টো মেয়র জন টরিও মিডিয়ার কাছে বলেন, আমি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্টুডোর সাথে কথা বলেছি। আমরা একসাথে আছি; আমরা একত্রিত হয়ে অনতিবিলম্বে কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছি। মেয়র টরি ১৪ দিনের আইসেলুশনের পর আজ জনসম্মুখে বেরিয়ে এসে বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, এই ইমার্জিয়েন্সির আওতা মুক্ত থাকবে খাদ্য সামগ্রীর দোকান, রেস্তোঁরা, ফার্মেসী, ফায়ার সার্ভিস, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সিটি পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা, পানি-বিদ্যুৎ সরবরাহ, পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতকারী দ্রব্যাদি এবং সরবরাহ। কিছুক্ষণ আগে ৭৪টি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এদিকে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রতি মূহুর্তে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য জনগণকে আইসুলেশনে অর্থাৎ স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সাথে সামাজিক দূরত্ব অনুশীলন এবং ছয় ফুট দূরে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এই দুর্দিন-দুঃসময়ে প্রধানমন্ত্রী, প্রিমিয়াম, মেয়র, চিফ মেডিকেল অফিসার অফ হেলথ, পুলিশ প্রধান সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষণে ক্ষণে আপগ্রেড জানিতে বিবৃতি দিচ্ছেন।

আজ সকালে অটোয়ার রিডো কটেজের বাইরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো করোনা ভাইরাসের চ্যালেঞ্জটি মোকাবেলায় সহায়তা করতে উন্নয়ন ও উৎপাদনে অতিরিক্ত আরো ১৯২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেন।

সর্বশেষ এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কানাডায় ২৪ জন মারা গেছে। আজ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬৫ জন আর সর্বমোট ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬৫ জন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য