দিনাজপুর সংবাদদাতাঃ করোনাভাইরাস আতঙ্কে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাস্ক কেনার ধুম পড়েছে। আর এ সুযোগে সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড ওয়াশ স্যানিটাইজারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে শহরের বিভিন্ন ওষুধ ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

কলেজ শিক্ষার্থী তুষার চন্দ্র ও সুরভী আক্তার বলেন, আগে ধূলাবালির হাত থেকে রক্ষার জন্য যে মাস্কগুলো ২০টাকায় পাওয়া যেতে সেগুলো এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দোকানদাররা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করায় চাহিদা থাকার পরও অনেকেই মাস্ক ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন না।

শুক্রবার ফুলবাড়ী পৌর শহরের বাংলাদেশ মেডিকেল স্টোরের সত্বাধিকারী উত্তম দাস বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড ওয়াশ স্যানিটাইজারের চাহিদা আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে যাওয়ায় চাহিদানুযায়ী কোম্পানীগুলো সরবরাহ করতে পারছে না। এ কারণে এগুলোর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে কয়েকটি স্যানিটাইজার থাকায় সেগুলো নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

নিমাই মেডিকেল স্টোর স্টোরের সত্বাধিকারী নিমাই চন্দ্র মহন্ত বলেন, এক থেকে দেড় মাস আগেই সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড ওয়াশ স্যানিটাইজার শেষ হয়ে গেছে। চাহিদা থাকার পরও কোম্পানীগুলো এসব পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কুইন কসমেটিক্স এর সত্বাধিকারী আবুল কাশেম বলেন, মাস্কের চাহিদা থাকায় অক্সিজেন মাস্ক বিক্রি করা হচ্ছে। এগুলো নিম্নমানের প্রতিটি ৪০ টাকা এবং একটু উন্নতমানের প্রতিটি ৭০ টাকায় বিক্রি করছেন। তবে দাম বেশি হওয়ায় আসল অক্সিজেন মাস্ক বিক্রি করছেন না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ককে পূঁজি করে কাউকেই মুনাফা লুটতে দেওয়া হবে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব বিষয়ে নজরদারী করা হচ্ছে। কোন কিছুর মূল্য অতিরিক্ত নেওয়া হলে সেই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল ও জরিমানা প্রদান করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য