দিনাজপুর সংবাদাতাঃ নিজেদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই দিনাজপুরের বিরল ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ও লক্ষণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন স্বাস্থ্য দলের কর্মীরা। শুধু সেখানেই নয়, সব স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই নিরাপত্তা সরঞ্জামাদির ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। তবে খুব শীঘ্রই এসব সরঞ্জামাদি পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিরল ইমিগ্রেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শুধুমাত্র একজনের শরীরে রয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যাতে করে শরীরে কোন ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে এজন্য পুরো শরীর ছিল ঢাকা। তবে বাকী যারা সদস্য রয়েছেন তাদের শুধুমাত্র মাস্ক ছাড়া অন্য কোন নিরাপত্তা নেই।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, প্রতিটি ইমিগ্রেশনে ৪ জনের একটি মেডিকেল টীম কাজ করছেন যাত্রীদের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি সনাক্তে। তবে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমানে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি আসেনি। যা এসেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় ৩ ভাগের মাত্র একভাগ। তবে এটা দিয়েই তাদেরকে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।

বিরল ইমিগ্রেশনে করোনাভাইরাস ঝুকিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা -Dinajpur, Dinajpur news, দিনাজপুর, দিনাজপুর নিউজ, বাংলা, বাংলানিউজ bangle, banglanews, Rangpur District, Kurigram District, Panchagarh District, Nilphamari District, Gaibandha District, Thakurgaon District, Lalmonirhat District, রংপুর জেলা, কুড়িগ্রাম জেলা, পঞ্চগড় জেলা, নীলফামারী জেলা, গাইবান্ধা জেলা, ঠাকুরগাঁও জেলা, লালমনিরহাট জেলা Bangladesh, বাংলাদেশ I+
বিরল ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত একজন বলেন, আমরা ভারত থেকে যযারা আসছেন তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ আছে কি না এজন্য তাপমাত্রা, জ্বর, কাশি, গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট আছে কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

তবে আমরা যারা এখানে আছি তাদের কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। শরীরের নিরাপত্তার পোষাকও নেই। যাতে করে আমরাও নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। তাদের কারও শরীরে করোনা ভাইরাস থাকলে আমাদের শরীরেও আসতে পারে কারন তাদের কাছাকাছি এসে তথ্য নিতে হচ্ছে এবং যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হচ্ছে। এতে করে তো আমরাও আক্রান্ত হতে পারি।

দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, দুটি স্থলবন্দরে মেডিকেল টীম ভারত থেকে আগত যাত্রীদের স্কেনিং করছেন। পার্সোনাল প্রটেকশন ইক্যুইপমেন্টের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এজন্য অধিদপ্তরে চাহিদা প্রদান করা হয়েছে, দু’একদিনের মধ্যেই পেয়ে যাবো বলে আশা করছি।

তাছাড়াও সব স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এসব নিরাপত্তা সরঞ্জামাদির ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে সার্জিকেল মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লোভস ব্যবহার করা হচ্ছে। যদি শরীরের নিরাপত্তার পোষাক, টুপি ও মাস্ক পাওয়া যায় তাহলে স্বাস্থ্যকর্মীরাও শতভাগ নিরাপত্তার মধ্যে থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য