নীলফামারীর সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা,ডোমার, ডিমলা উপজেলার বাজারে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। কেজি প্রতি এ চালের দাম বেড়েছে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়িদের অভিযোগ, অটো রাইস মিল মালিক এবং মজুদদারদের ইচ্ছে মতো দাম নির্ধারণের কারণে চালের দাম বেড়েছে। অটো রাইস মিল মালিকরা মিলগেট বা মোকামেই চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মান ও প্রকার ভেদে ৫০ কেজি বস্তা প্রতি চালের দাম বেড়েছে ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা।

সুগন্ধি চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা থেকে ১০ টাকা। নীলফামারীর বিভিন্ন উপজেলার চালের আড়ৎ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে এখানে জিরাশাইল চাল বিক্রি হয়েছে বস্তা প্রতি ২ হাজার ১০০ টাকা। বর্তমানে তা হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।

এছাড়া বস্তা প্রতি মিনিকেট ২৫০ টাকা বেড়ে ৭৫০ টাকা, স্বর্ণা ১৩০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৪৮০ টাকা, মোটা স্বর্ণা ২৫০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ২৫০ টাকা, বাসমতি ২০০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচেছ। চালের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কারসাজি রয়েছে বলে মনে করেন পাইকারি বাজারের ব্যবসায়িরা।

সৈয়দপুরে খুচরা চাল ব্যবসায়ি আল মামুন জানান,কয়েকদিন আগে জিরাশাইল জাতের চিকন চাল বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা। এখন বিক্রি হচেছ ৪০ টাকা। ব্রি- ২৮ প্রতি কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচেছ ৩৫ টাকা দরে। স্বর্ণা ৩২ টাকা, কাটারিভোগ ৫৫ টাকা, পাইজাম ৫৬ টাকা। প্রকার ভেদে মোটা চালের দামও বেড়েছে কেজিতে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। মিল চাতাল মালিক, চাল ব্যবসায়ি,খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের অভিযোগ, নীলফামারীতে প্রায় ১৫০ অটো রাইস মিল রয়েছে।

এসব মিল মালিকরা অনেকেই চালের মজুদ করে রেখেছেন। আর তাদের মাধ্যমেই দামের তারতম্য হচেছ। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন এখনই যদি সরকার শক্তহাতে এটি দমনে মাঠে না নামে তাহলে আগামি রমজান মাসে চালের দাম আরও বাড়বে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য