আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ “অপ্রয়োজনীয় জনসমাগম এড়িয়ে চলুন-আতংকিত না হয়ে-আসুন সতর্ক হই” এ শ্লোগানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে শহরের ১নং ট্রাফিক মোড়ে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের আয়োজনে লিফলেট বিতরনের উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবুল খায়ের। এসময় গাইবান্ধা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার, ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ মো. নূর আলম সিদ্দিক, এসআই হানিফ, কনষ্টেবল মো. রাসেল ছাড়াও পুলিশের অন্যান্য সদস্যসহ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে একটি শহরের আসাদুজ্জামান মার্কেট থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। লিফলেটে তিনটি মুল বিষয়ের সার সংক্ষেপ তুলে ধরে বলা হয়- করোনা ভাইরাস ছড়ানো সংক্রান্তে বলা হয় মূলত বাতাসের এয়ার ড্রপ্ললেট এর মাধ্যমে। হাচি ও কাঁশির ফলে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ সংক্রান্তে বলা হয়- সর্দি, কাঁশি, জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা। মারাত্বক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। শিশু, বৃদ্ধ ও কম রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিউমোনিয়া। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয় উল্লেখ রয়েছে- এখনো এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কা না হওয়ায় বিস্তাররোধেই প্রতিরোধের উপায়।

মাঝে মাঝে সাবান পানি বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া, হাচি কাশি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা। ঢান্ডা বা ফ্লু আক্রান্ত ব্যাক্তির সাথে না মেশা। বন্য জন্তু কিংবা গৃহপালিত পশুকে খালি হাতে স্পর্শ না করা। মাংস ডিম ভালভাবে রান্না করা। মুখে মাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে। হাচি কাশি দেওয়ার পর, রোগীর সেবা শুশ্রুষা করার পর, টয়লেট করার পর পশুপাখি কিংবা পশুপাখির মল স্পর্শ করার পর খাবার প্রস্তুত করার আগে ও পরে পরিস্কার করে হাত ধুতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য