হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের হাকিমপুরে রাস্তার দু’পাশে মরা গাছ এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। পথচারী, রিক্সা,ভ্যানচালক, স্কুলের ছাত্রছাত্রীসহ আতঙ্কে রাস্তায় চলাফেরা করছে এলাকাবাসী। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

হাকিমপুর পৌর এলাকার ছাতনি চারমাথা থেকে উত্তরে খট্রাউচনা গ্রামের প্রায় এক কিলো মিটার রাস্তার দু’পাশে গাছগুলো দীর্ঘদিন ধরে মরে শুকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটু বাতাস হলেই আতংক নিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের।

শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান, জুয়েল, বিথী জানায়, আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করি। মরা গাছগুলো দেখে খুব ভয় পায়। ঝড় বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে আমরা যায় না। রাস্তার পাশে ধানের জমির আইল দিয়ে চলাচল করি।

ভ্যানচালক মফিজুল হক জানান, ঝড় বৃষ্টি ছাড়াও শুকনো মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। মাঝে মধ্যে মরা গাছের ডাল ভেঙ্গে সামনে পড়ে।

পথচারী লুৎফর রহমান জানায়, এই রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় মরা গাছগুলোর দিকে তাকায়। সাবধানে চলাচল করতে হয়। গাছগুলোর গোড়া মরে এমন হয়েছে কখন যে গায়ের উপর পড়তে পারে।

বন বিভাগ বিরামপুর রেঞ্জের রেঞ্জার নিশিকান্ত মালাকার জানান, হাকিমপুর উপজেলার রাস্তার পাশে যেসব গাছ বনবিভাগের অধিনে সেগুলো গাছগুলো কাটা হয়েছে। আর যেগুলো এখনও কাটা হয়নি সেই গাছগুলো বিভিন্ন এনজিও সংস্থার। তবে এনজিওসহ স্থানীয় চেয়ারম্যানরা যদি আমাদের কাছে আবেদন করেন তাহলে আমরা সেই রাস্তার গাছগুলো কাটার ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, পৌরসভার ছাতনি চারমাথা রাস্তার দু’পাশের মরা গাছগুলোকে এনডিসি ও টিএমএসএস ( ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ) নামের দুটি এনজিও দাবি করে। ওই দুটি এনজিও যদি এক হয়ে পৌরসভায় আবেদন করে। তাহলে আমরা ওই মরা গাছগুলো কাটার ব্যবস্থা নিবো।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রাফিউল আলম জানান, উপজেলার সব রাস্তার পাশে মরা গাছসহ সব ধরনের গাছ কাটার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। অনুমতি পেলেই রাস্তার পাশের গাছগুলো কাটার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য