যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর পরপরই কর্তৃপক্ষ পশ্চিমাঞ্চলীয় এ অঙ্গরাজ্যটিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

৭১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সেক্রেমেন্তোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কভিড-১৯ এ আক্রান্ত ১১ জনের মৃত্যু হল বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে বাকি ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় এ রাজ্যটির পাশপাশি চলতি সপ্তাহে ফ্লোরিডাতেও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ভাইরাস টেক্সাস ও নেব্রাস্কায়ও ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অঙ্গরাজ্যে অন্তত দেড়শ জনের দেহে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার থেকে কভিড-১৯ শনাক্তে দেশব্যাপী বিস্তৃত পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ডিসেম্বরের শেষে চীনের উহান থেকে বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়া এ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে ৯২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে তিন হাজার ২০০।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চীনের বাইরে ভাইরাসটির সংক্রমণ বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সুরক্ষা উপকরণ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ভাবাচ্ছে।

ক্যালিফোর্নিয়ায় মারা যাওয়া ব্যক্তি গত মাসে সান ফ্রান্সিসকো থেকে মেক্সিকোগামী একটি প্রমোদতরীর যাত্রী ছিলেন; সেখানেই তিনি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসেন বলে কর্মকর্তাদের ধারণা।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কার্নিভাল শিপিং কোম্পানির ওই প্রমোদতরীকে পরে সান ফ্রান্সিসকোর বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরের কাছে কয়েক সপ্তাহ কোয়ারেন্টিন করে রাখা কার্নিভাল পরিচালিত আরেকটি প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসের কয়েক ডজন যাত্রীর দেহেও কভিড-১৯ এর উপস্থিতি মিলেছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য