দিনাজপুর সংবাদাতাঃ পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পংক্তিগুলো দিনাজপরের আম বাগান গুলোতে বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। চলতি মৌসুমে জেলার প্রতিটি বাড়ীতে কমপক্ষে ২/৩টি আম গাছ রয়েছে আসা করা যাচ্ছে গাছগুলোতে এবারে প্রচুর ফলন হবে এতে করে সবাই আম খেতে পারবে।

আর মাএ দু’এক মাসের মধ্যে বাগান গুলোতে থরে থরে আম দেখা যাবে। ইতি মধ্যেই আমগাছগুলোতে এমন ভাবে মুকুলে-মুকুলে ছেয়ে যে, গাছের পাতাগলো অদৃশ্য হয়ে গেছে। মুকুলের মৌ-মৌ ঘাষ্ট্র ণে আমবাগানগুলোর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে পাগল করা সু ঘ্রাণ।

যে গ্রাণ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল। বুধবার দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা যায়, আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন। মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরা।

এদিকে মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। আমরুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি অন্যতম। ইতোমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে।

গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও সপ্তাহখানিক লাগবে বলে জানান বাগান মালিকরা। বাগান মালিকরা জানান, প্রায় ২/৩ সপ্তাহ আগে থেকে তাদের বাগানে লাগানো আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। আমবাগানীরা জানান, মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা। তিনারা আরও জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য