মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশ্ব বন্যপ্রানী দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য প্রানীকুল বাঁচাই”। এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে নীলফামারীর সৈয়দপুরে “সেতুবন্ধন” নামে একটি সংগঠন আয়োজন করে সচেতনতামূলক র‌্যালী ও আলোচনা সভা। এ কার্যক্রম চলাকালেই সৈয়দপুর শহরের অদূরে ওয়াপদা মোড় রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় অবাধে নিধন করা হয় অনেকগুলো বন্যপ্রাণী।

সাওতাল সম্প্রদায়ের লোকজন এ নিধনযজ্ঞ চালায়। একজন সচেতন নাগরিক বাধা দিলেও তারা না মানায় গোপনে নিধনকৃত কয়েকটি প্রানীর ঝূলন্ত ছবি তুলে প্রচার করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কিন্তু তারপরও প্রশাসন বা ওই সংগঠনটির কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ দেখা যায়নি বন্যপ্রানী নিধনকারীদের বিরুদ্ধে।

এমতাবস্থায় সৈয়দপুরের বোদ্ধা মহলের মন্তব্য হচ্ছে- সংগঠন ও সরকারী প্রশাসন শুধু দিবস কেন্দ্রীক আনুষ্ঠানিকতায় আবদ্ধ। মাঠে ময়দানে তৃণমূল পর্যায়ে তাদের কোন কার্যক্রম নেই। একারণেই বছরের পর বছর দিবস পালন হলেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মধ্যে কোন সচেতনতাই গড়ে উঠেনি। অথচ সরকার এসব দিবস পালনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। জনগণের টাকায় পালিত হয় কর্মসূচী কিন্তু সাধারণ জনগনই পায়না তার কোন সুফল।

এ ব্যাপারে পাখি ও পশুর স্বার্থ নিয়ে কাজ করা সংগঠন “সেতুবন্ধন” এর সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন এর সাথে কথা হলে জানান, আমি সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সাথে পাখি সংরক্ষন বিষয়ে কাজ করি। মাঠে প্রান্তরে কোথায় কে কোন পাখি বা প্রানী মারলো সে ব্যাপারে আমার করার কিছুই নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রশাসনকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য