মোঃ লিহাজ উদ্দীন মানিক, বোদা পঞ্চগড়ঃ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের তেপুকুড়িয়া এলাকায় ২০১২ সালে গড়ে উঠা অন্থবালা অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি গ্রামের প্রতিবন্ধী শিশুদের দেখাচ্ছে নতুন এক আলোর পথ।

ফলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিদ্যালয়টি। গতকাল রবিবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ওই এলাকার কয়েকটি গ্রাম থেকে আসা ১৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৭ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ক্লাস করছে। জানা যায়, ২০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত এই অন্থবালা অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি।

বিদ্যালয়টিতে ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ৯ জন কর্মচারী দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। চলতি বছরে এ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ১৪০ জন। বিদ্যালয়টি মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। শিক্ষা থেকে বঞ্চিত সন্তানদের এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করায় বেশ আনন্দিত অবিভাবকরা।

অবিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ে তাদের সন্তানদের অতি যতœ সহকারে লেখাপড়ার সুযোগ থাকায় তেমন দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় না। আর এ বিদ্যালয়ে এসে তাদের সন্তানরা অনেক কিছুই শিখতে পারছে। বলে তারা দাবী করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মহৎ উদ্দোগকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক সাথী রায় এবং সিনিয়র শিক্ষক হোসনে আরা (সুমি) ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির সভাপতি পলাশ চন্দ্র বর্মন জানান, বিদ্যালয়টি তারা তাঁদের স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করে আসছেন।

তারা আরো জানান কিছু দিন আগে স্কুলটি জেলা সমাজসেবা অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ আল মামুন এবং বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্কুলটি পরিদর্শন করে সন্তোষ জনক প্রতিবেদন দেন। ইতোমধ্যে স্কুলটি সরকারি ভাবে স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়েছে। স্বীকৃতি পেলে স্কুলটি আরো বেগবান হবে বলে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা মতপ্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য