দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিলীপ কুমার রায় দিনাজপুরের সবচাইতে বড়হাট কাহারোল হাট এ হাট সপ্তাহে দু-দিন শনিবার ও মংগলবার আর এ দু-দিনেই সাধারন মানুষ সহ-স্কুল গামী শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ জানজোটের।

উপজেলার সদর প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত এ হাট অথচ প্রতিনিয়ত শনিবার এ হাটে দেখা যায় মেইন রোডে রাস্তার উপরে ধান ক্রয় বিক্রয়ের বাজার জানজোটের প্রকোপে অতিষ্ট হয়ে পরে পথচলার মানুষ কোন কোন সময় দেখা যায় হাটের সময় জরুরী ভাবে রোগী বহনে এম্বুলেন্সও ভোগান্তিতে পরে।

অন্যদিকে সদরের প্রতিটি মেইন রোডের দু-ধারে দেখা যায় অবৈধ নশিমন করিমন, ভটভটি, ট্রাক্টর,ট্রাক,পিকাপ ভ্যান, অটোবাইক যাতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীরা এবং কি এই নশিমন, ভটভটি, পিকাপভ্যান, ট্রাক, করিমনের কালো ধোয়ায় ক্ষতি গ্রস্তহচ্ছে আগামী ভবিশ্বত শিশুরা দুষন হচ্ছে পরিবেশ উচ্চতর হর্ণ বাজিয়ে করছে শব্দ দুষন।

এবিষয়ে কাহারোলের সচেতন মহলের কয়েকজন ব্যাক্তির সাথে কথা বল্লে তারা জানান আসলে আমাদের এই হাটের পাশ্বে একটি জানবাহন রাখার জায়গা না থাকায় এ দুর্ভোগ আমাদের প্রতিনিয়ত পোহাতে হচ্ছে।

প্রতিটি মেইন রোড যেমন থানা রোড,হাসপাতাল রোড,মহিলা কলেজ রোড,সিনেমা হল রোড,উপজেলা রোডে দেখা যায় রাস্তার দু-ধারে নশিমন করিমনের সাড়িবদ্ধতা এতে করে স্থানীয় শিশুরা রয়েছে চরম দুর্ঘটনার ঝুকিতে সচেতন মহল এ বিষয়ে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অন্যদিকে শিশুকল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু নিকেতন, রামচন্দ্রপুর মডেল সরঃপ্রাঃবিদ্যালয়,কাহারোল উচ্চ বিদ্যালয়, কাহারোল পাইলট বালিকা উচ্চ বদ্যালয়,রামচন্দ্রপু পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় এবং কাহারোল মহিলা ডিগ্রী কলেজের কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে কথা বললে তারা সকলেই বলেন আমরা স্কুল কলেজে আসলে রাস্তায় আমাদের কোন সুরক্ষা নেই কারন এই নশিমন করিমন গুলো রাস্তার দু-ধারে রাখায় জানজোটের দুর্ভোগের কবলে পড়ি এছারাও এই জানবাহনের চালকরাও প্রশিক্ষন প্রাপ্ত নয় যখন তখন নিয়ন্তরন হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে আমরা সংস্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমাদের অভিভাবকদেরও এবিষয়ে সচেতন হওয়ার প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য