দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে যহ্মা রোগ প্রতিরোধে সুশীল সমাজের ভূমিকা শীর্ষক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আর এমও ডাঃ পারভেজ সোহেল রানা বলেন, এক নাগারে ২ সপ্তাহ বা তার অধিক সময় ধরে কাশি যহ্মার প্রধান লক্ষন। দেশে প্রতি লাখে নতুন যহ্মা রোগী প্রতি বছর ২২১ জন। প্রতি বছর প্রতি লাখে যহ্মা কারণে মৃত্যু ঘটে ৩৬ জন। বাংলাদেশকে যহ্মামুক্ত করতে হলে চাই সামাজিক আন্দোলন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন নাটাব বিভাগীয় প্রতিনিধি মোঃ কাওছার উদ্দীন।

রোববার প্রবীন হিতৈষী সংঘ দিনাজপুর শাখার সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় যহ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) এর আয়োজনে যহ্মা রোগ প্রতিরোধে এ মত বিনিময়কালে প্রধান অতিথি এসব কথা বলেন।

প্রবীন হিতৈষী সংঘ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ এম.এ জব্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আর এমও ডাঃ পারভেজ সোহেল রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবীন হিতৈষী সংগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ চৌধুরী মোসাদ্দেকুল ইজদানী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাটাব দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক কাশী কুমার দাস, যহ্মা বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করেন প্রবীন হিতৈষী সংঘের সদস্য মোঃ মোকাররম হোসেন, অধ্যাপক মোঃ ইসমাইল, আলেয়া বেগম, দীপ্ত সাহা ও শুভ কুমার দাস।

প্রধান অতিথি ডাঃ পারভেজ সোহেল রানা বলেন, এক নাগারে ২ সপ্তাহ বা তার অধিক সময় ধরে কাশি যহ্মার প্রধান লক্ষন। দেশে প্রতি লাখে নতুন যহ্মা রোগী প্রতি বছর ২২১ জন। প্রতি বছর প্রতি লাখে যহ্মা কারণে মৃত্যু ঘটে ৩৬ জন। বাংলাদেশকে যহ্মামুক্ত করতে হলে চাই সামাজিক আন্দোলন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন নাটাব বিভাগীয় প্রতিনিধি মোঃ কাওছার উদ্দীন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য