চীনে করোনাভাইরাসে আরও ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২৩ জনে।

শুক্রবার চীনে যে ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৩৯ জনেই ছিলেন হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ১০৭ জনই আবার উহানের। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের সুস্থ হয়ে উঠার ঘটনাও কম নয়। গত মধ্যরাত পর্যন্ত আট হাজার ৯৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

এদিকে, রাজধানী বেইজিংয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে যারা ছুটি শেষে নগরে ফিরছেন, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অতিপ্রতিক্রিয়া’ দেখানোর অভিযোগ এনেছে চীন। দেশটির পরারাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, “ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। সংক্রমণ হঠাৎ হয়েছে এবং চীনসহ পুরো বিশ্বই চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে। ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের সর্বাত্নক ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আমার মতে, আর কারও পক্ষে এতটা সম্ভব হত না, কিন্তু চীন পেরেছে।”

ভাইরাস প্রতিরোধের উছিলায় বাণিজ্য, ভ্রমণ এবং পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত করবে এমন পদক্ষেপ না নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।

আক্রান্ত রোগীর ১ শতাংশেরও কম মানুষ যে চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরের, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ওয়াং ই বলেন, “শুরু থেকেই আমরা এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত খোলামেলা ও স্বচ্ছতার সাথে তথ্য সরবরাহ করে আসছি।”

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য