ঝড় সিয়েরার কবলে পড়েছে যুক্তরাজ্য।ঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ মাইল।ঝড়ের প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যায় যাতায়াত-যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়ে বিপর্যস্ত হচ্ছে জনজীবন।

ঝড়ের কারণে সড়ক, রেল, সাগরপথ এবং আকাশপথেও ভ্রমণ ব্যাহত হচ্ছে।অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক বহু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কয়েকটি রেল প্রতিষ্ঠান যাত্রীদের এ সময় ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ স্থানে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে।যুক্তরাজ্যজুড়ে ২৫০ টিরও বেশি স্থানে বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গুরুতর বন্যা সতর্কতা অর্থাৎ,জীবনের ঝুঁকি রয়েছে,এমন সতর্কতা জারি রয়েছে নর্থ ইয়র্কশায়ার এবং নর্দান ইংল্যান্ডে।

ইংল্যান্ডে ২শ’ টির বেশি স্থানে, স্কটল্যান্ডের ৬০ টি স্থান এবং ওয়েলসের ১৭ টি স্থানে বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কনওয়ের একটি স্থানে ৪ ফুট উচ্চতার বন্যার পানিতে ভ্যানে আটকা পড়েছেন এক নারী। সেখানে কোমর পর্যন্ত পানি জমে আছে।

যুক্তরাজ্যজুড়ে ১ লাখ ৩৭ হাজারেরও বেশি মানুষ গতরাত থেকেই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।দেশটির বেশকিছু অঞ্চল প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আওহাওয়া অফিস।

ইংল্যান্ডে এবং ওয়েলসে রোববার ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।বিভিন্ন জায়গার সঙ্গে ওয়েলসের রেল যোগাযোগও এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওয়েলস এর আগে কখনো এমন শক্তিশালী ঝড়ের কবলে পড়েনি।

আওহাওয়া অফিসের এক কর্মকর্তা বলেছেন,“দেশজুড়ে সতর্কতা জারি থাকার এমন ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না।ঝড় কায়রা কতটা ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে এ থেকেই তা অনুমেয়।”

সোমবার ঝড়টি সরে যাওয়ার পরও এর দমকা বাতাসের প্রভাবে লন্ডভন্ড হতে পারে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের বেশিরভাগ এলাকা। আবহাওয়া অফিস সোমবার এই দুই জায়গাসহ নর্থ ইংল্যান্ডের কয়েকটি স্থানে প্রবল বাতাস এবং তুষারপাতের আশংকায় মঙ্গল ও বুধবার পর্যন্ত ইয়েলো সতর্কতা জারি করেছে। নর্থ-ওয়েস্ট ইংল্যান্ডও তুষারে ঢাকা পড়ার আশঙ্কা আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য