দেশে এই ভাইরাস না ছড়ালেও আগেভাবে সাবধান থাকাই হবে উৎকৃষ্ট উপায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়াতে বাড়ছে বিপদের মাত্রা। আমাদের দেশে এখনও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সুত্রানুসারে ভারতে অন্তত তিনজনকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে।

তাই নিজে সুস্থ থাকতে সচেতন হতেই হবে। আর এজন্য অন্তত কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিত।

ভারতের সেন্টার অফ ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)’র দেওয়া পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানানো হল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার কয়েকটি উপায়।

প্রাথমিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

ফ্লু ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার মতো এই ক্ষেত্রেও প্রাথমিক সুরক্ষার বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। হাত ভালোভাবে পরিষ্কার রাখতে হবে। নাক, মুখ, চোখ আবৃত রাখতে হবে যাতে ভাইরাসের সংক্রমণ না হয়। বাহ্যিক বিভিন্ন বস্তুর এবং জনসাধারণের ব্যবহৃত বস্তুগুলো ব্যবহার পর অবশ্যই জীবাণু মু্ক্ত হতে হবে।

সার্জিকাল মাস্ক একমাত্র ভরসা নয়

করোনাভাইরাস নিয়ে অসংখ্য ভুল ধারণা প্রচলিত আছে সাধারণ মানুষের মাঝে। এদের মধ্যে একটি হল ‘ সার্জিকাল মাস্ক’ পরলে ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এই ‘মাস্ক’ সংক্রমণের আশঙ্কা কমায় তবে পুরোপুরি আশঙ্কা মু্ক্ত করে না। ‘এন নাইনটি ফাইভ’ নামক ‘সার্জিকাল মাস্ক’ সবচাইতে শক্তিশালী সুরক্ষা দেবে এই ক্ষেত্রে।

ডাক্তারকে জানানো

যদি মনে হয় আপনি তীব্র ‘ফ্লু’তে ভুগছেন কিংবা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তবে চিকিৎসক এবং চিকিৎসা কেন্দ্রের অন্যান্য কর্মীদের সুযোগ দিতে হবে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার। তাই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ফোন করতে হবে, নিজের সন্দেহের কথা জানাতে হবে যাতে হাসপাতাল আপনার জন্য তৈরি হতে পারে।

এছাড়াও বিগত ১৪ দিনের মধ্যে যারা চীন গিয়েছেন তাদের এবং তাদের আশপাশে থাকার লোকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

অসুখ হলে কর্মক্ষেত্রে না যাওয়া

‘ফ্লু’ এবং অন্যান্য সকল ভাইরাসজনীত রোগের সবচাইতে বড় আতঙ্ক হল এর সংক্রমণের গতি। তাই সংক্রমণের পূর্বাভাস দেখা দিলে সুস্থ মানুষের সঙ্গ পরিহার করাই ভালো যাতে আপনার কাছ থেকে তাদের মাঝে ভাইরাস সংক্রমণ হতে না পারে। বরং ঘরে থেকে বিশ্রাম নিন। নিজে সুস্থ হন, অপরকে সুরক্ষিত রাখুন।

ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে দূরে থাকা

বিশ্বব্যাপী সকল বিমানবন্দরে রাখা হয়েছে কড়া সুরক্ষা ব্যবস্থা। যাতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে। তবে পদক্ষেপ নিতে হবে নিজকেও। তাই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা আছে এমন স্থান থেকে দূরে থাকতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য