দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর ডায়াবেটিস ও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতালে ‘শিশু চক্ষু বিভাগ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এখন থেকে খুব সহজে শিশুদের ডায়াবেটিক আক্রান্ত চোখের পরীক্ষা ও সেবা পাওয়া যাবে এই হাসপাতালে।

৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বুধবার সকালে ‘মডেল ফর চিল্ড্রেন উইথ ডায়াবেটিক আই ডিজিস ইন বাংলাদেশ’ প্রজেক্টের আওতায় প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘শিশু চক্ষু বিভাগ’ উদ্বোধন করেন অরবিস ইন্টারন্যাশনাল এর সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মি. বব র‌্যাংক। উদ্বোধন শেষে হাসপাতালের চশমা কর্ণারসহ বিভিন্ন দিক ঘরে দেখেন বব র‌্যাংকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

এরপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বব র‌্যাংক বলেন, শিশুদের ডায়াবেটিক আক্রান্ত চোখের যতœ নেয়া দরকার সেটি তার পরিবারের জন্য, সমাজের জন্য এবং জাতির জন্য। ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশুদের চোখের সেবা করলে জাতিরই উপকার হবে। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে হাসপাতালে ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশুদের জন্য উন্নতমানের চশমা দেয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। যাতে শিশুদের ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি আছে কি না তা পরীক্ষা করতে পারবে। এছাড়া আমরা বিশ্ব চক্ষু দিবস পালন করে থাকি। স্কুলে শিশুদের চোখের যতœ নেয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এভাবেই ভবিষ্যতেও ডায়াবেটিক আক্রান্ত শিশুদের চোখের সেবা সুন্দরভাবে করে যাবো।

ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন দিনাজপুর এর সভাপতি সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন দিনাজপুর এর সাধারণ সম্পাদক মো. সফিকুল হক ছুটু প্রমুখ।

এরপর হাসপাতালের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি মি. বব র‌্যাংককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

হাসপাতালের কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. বি কে বোস এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের কোষাধ্যক্ষ লুৎফর রহমান মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক ডা. শহিদুল ইসলাম খানসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্তকর্তা-কর্মচারী ও ডায়াবেটিক রোগীরা।

উল্লেখ্য, ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন দিনাজপুর এর একটি প্রতিষ্ঠান ডায়াবেটিস ও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতাল। এখানে সম্প্রতি হাসপাতালটিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক কালার ফান্ডাস ফটোগ্রাফি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। যার সাহায্যে ডায়াবেটিক রোগীদের চোখের জটিলতা (রেটিনোপ্যাথি) নির্নয় করা হচ্ছে। শুধু ০-২৬ বছর বয়সী রোগীদের বিনামূল্যে চোখের এই রেটিনোপ্যাথী পরীক্ষা করা হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য