বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ শৈত প্রবাহের ফলে ঘন কুয়াশায় চলতি ইরি মৌসুমের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কৃষকের। গত আমন মৌসুমে ধানের ভাল ফলন পেলেও কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় এবার ইরি-বোরো চাষে বুকে একরাশ আশা বেধে বীজতলা তৈরী করেছেন কৃষকেরা। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে শৈত প্রবাহ আর ঘন কুয়াশার ফলে নষ্ট হচ্ছে বীজতলা। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছে নবাবগঞ্জের ধান চাষীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে বীজতলা। প্রকৃতির সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ার ফলে শৈত প্রবাহে বীজতলার বোনা বীজগুলো সাদা ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের চতুরপুর গ্রামের আব্দুল কাফি বলেন, এবারের তীব্রশীত আর ঘন কুয়াশায় অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।

ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বীজতলা দিশেহারা কৃষকেরা -Dinajpur, Dinajpur news, দিনাজপুর, দিনাজপুর নিউজ, বাংলা, বাংলানিউজ bangle, banglanews, Rangpur District, Kurigram District, Panchagarh District, Nilphamari District, Gaibandha District, Thakurgaon District, Lalmonirhat District, রংপুর জেলা, কুড়িগ্রাম জেলা, পঞ্চগড় জেলা, নীলফামারী জেলা, গাইবান্ধা জেলা, ঠাকুরগাঁও জেলা, লালমনিরহাট জেলা Bangladesh, বাংলাদেশ I+এসব বীজতলায় ধানের চারা ইতিপূর্বে একই সময়ে ৪-৬ ইঞ্চি লম্বা তরতাজা করলেও এবার শীতের কবলে কুয়াশার ফলে চারার উপরিভাগ প্রথমে সাদা ও পরে লালচে আকার ধারন করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় অনেককেই বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে দেখা গেছে। তারা জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ ব্যবহার করেও রক্ষা করা যাচ্ছেনা বীজতলা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল বলেন, উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার হেক্টরের ঊর্দ্ধে জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষে বীজতালা তৈরী করেছে কৃষকেরা। তবে ঘন কুয়াশায় অনেকের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশংকা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, বীজতলার চারা রক্ষার জন্য ইউরিয়া ও পঁচাড়ির জন্য ছত্রাকনাশক ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য