আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ ৩১ গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শিল্পপতি গোপাল চন্দ্র বর্মন। গোপাল চন্দ্র বর্মন পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ভেলাকোপা গ্রামের হৃদয় কুমার বর্মন এবং শান্তি রানী বর্মনের দম্পতির ছেলে। তার পিতা হৃদয় কুমার বর্মন পাকিস্তান আমল থেকে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য, বঙ্গবন্ধু সরকারের রিলিফ কমিটির সদস্য, কৃষক বিগ্রেডের সদস্য ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধকালীন সময়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ বাড়ীতে অবস্থান দিয়ে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। গোপাল চন্দ্র বর্মনের বড় ভাই সন্তোষ কুমার বর্মন সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং সাঘাটা পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিল্পপতি গোপাল চন্দ্র বর্মন বিবাহিত তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে সে লেখাপড়া করছেন।

গোপাল চন্দ্র বর্মন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএসএস (অনার্স) এমএসএস (অর্থনীতি) ছাড়াও সিএমএ লেভেল-৩ কম্পিলিটেড, ডিপ্লোমা-ইন-কম্পিউটার সায়েন্স শিক্ষা র্অজন করেন। তিনি বর্তমানে রপ্তানীমুখী পোষাক শিল্পকারখানা উইন্টার কালেকশন লিঃ, নোভা পলিমার লিঃ, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মের্সাস প্রতিভা এগ্রো খামার-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

তিনি ১৯৮০ সালে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের রাজনীতি জড়িত ছিলেন। ১৯৯০ সালের পর হতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। বিগত চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময়ে বিভিন্ন মামলা-হামলার স্বীকার হন।

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী মরহুম ডা. ইউনুস আলী সরকার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। আসনটিতে আগামী উপ-নির্বাচনে কে হবেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী চোখ-কান সব দিকে আসনটির সকল ভোটারদের। দলের বর্তমান সময়ে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সমর্থকদের সংখ্যাও বিশাল।

তাই আগামী উপ-নির্বাচনে দলটি নিজেদের দলীয় শক্তি ও সমর্থন আদায়ের ধারাবাহিকতা রক্ষায় দলটির প্রধান সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন বলে বিশ্বাস করেন সাধারণ ভোটাররা। মরহুম ডাঃ মোঃ ইউনুস আলী সরকার এমপি তিনি শুধু দলীয় প্রার্থী নয় ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ জনতার মন জয় করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে এলাকার জনগনের সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত করে ছিলেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। তাই এলাকাবাসীর দাবি এ আসনে দুঃখ-সুখে যে অংশীদার হবে তেমনি একজন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সর্ম্পূণ ব্যক্তির হাতেই যেন তুলে দেওয়া হয় নৌকার হাল।

দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে তফশিল ঘোষনা না হলেও এলাকায় জনসমর্থনের লক্ষ্যে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। তারা কেন্দ্রের আশীর্বাদ ও আওয়ামী লীগ নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। ইতোমধ্যেই তারা অনেকেই যোগাযোগ করতে শুরু করেছে কেন্দ্রে। উপ-নির্বাচনের ভোটের দিন শেষ মুহুর্তের হিসাব-নিকাশ দেখেই মনস্থির করবেন সাধারণ ভোটাররা। মার্কার অপেক্ষায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ও দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণার অপেক্ষায় স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা। সবার মুখে একটাই উক্তি কে হচ্ছে কাঙ্খিত নৌকার মাঝি।

এরইমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রাথমিকভাবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী শিল্পপতি গোপাল চন্দ্র বর্মন।

শিল্পপতি গোপাল চন্দ্র বর্মন বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অত্র এলাকায় বজায় রাখতে আগামী উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনেনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে প্রান্তরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। দল হতে মনোনয়ন পেলে এলাকার সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে বেগবান করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য