ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফুলবাড়ী সীমান্তের মানি এক্সচেঞ্জ ব্যাবসায়ী মেসার্স সমীর মানি এক্সচেঞ্জের মালিক সমীর সরকারের ফাদে পা দিয়ে সর্বসান্ত বৃহত্তর দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড় সহ রাজধানী ঢাকার অনেক মানুষ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের হাকিমপাড়ার বাসিন্দা সমীর সরকার ফুলবাড়ী সীমান্তে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যাবসা ও ট্রাভেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। সেই সুবাদে বৃহত্তর দিনাজপুর এর মানুষদের সঙ্গে তার পরিচিতি।

এই পরিচিতির হাত ধরে সমীর সরকারের প্রতারনার শুরু। বৃহত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন ব্যক্তি চিকিৎসা সহ ভ্রমন সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে ভারতে গেলে সমীর সরকারের মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টাকা বদল করতে গেলে সমীর সরকারের আসল রুপ বের হয়ে আসে।

চিকিৎসার জন্য কোলকাতা অথবা ব্যাঙ্গালোর গেলে যারা সমীর সরকারের মাধ্যমে টাকা পাঠাতো তাদের অধিকাংশের টাকা আর গন্তব্যে পৌছায়নি। চিকিৎসার জন্য কোলকাতা অথবা ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার পর টাকা না পাওয়ায় সে সমস্ত রুগিকে দেশে ফেরত আসতে হয়েছে। এভাবে তার কাছে ১৫/২০ লক্ষ টাকা পাওনা হয়েছে। বিগত ৩/৪ মাস ধরে সে সমস্ত ব্যক্তিকে সে ঘুরিয়ে বেড়াচ্ছে এবং শোনা যাচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশে কোথাও পলাতক অবস্থায় আছে, বলে অভিযোগ কারিরা জানান।

বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ট্রেন ও ফ্লাইট টিকেট এর টাকা নিয়ে তাদের টিকেট এর টাকা মেরে দিয়েছে। ঝিনাইদাহ পৌরসভার মেয়র জনাব সাইদুল করিম মিন্টুর আত্মীয়ের চিকিৎসার জন্য ৮ লক্ষ নেয়ার পর থেকে মুম্বাইতে টাকা না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এই মানিএক্সচেঞ্জ ব্যবসা করার কারনে প্রতি মাসে ২/৩ বার সে বাংলাদেশে যাতায়াত করে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে ভারতীয় ফুলবাড়ী সীমান্তের মানি চেঞ্জার এসোসিয়েশন এর বিভিন্ন সদস্য সমীর সরকারের কাছে ভারতীয় ৩০ লক্ষ রুপী পাওনা আছে। বর্তমানে সমীর সরকার পলাতক আছেন।

তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পাসপোর্ট এন্ড ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য