দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় পৌষের শেষ প্রান্তে এসে জেঁকে বসছে শীত। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে গত তিনদিন ধরে সকালে ঠিক মতো সৃর্যের দেখা মেলেনি এই অঞ্চলে ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। হিমেল বাতাস আর প্রচন্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ।

এদিকে, শীতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধা। শীতের সঙ্গে কনকনে বাতাসে কাহিল হয়ে পড়েছেন দিনমজুর ও ক্ষেতমজুররা।এক সপ্তাহ আগে পুরাতন গরম কাপড়ের দাম তেমন না থাকলেও গত তিনদিন থেকে চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।পুরাতন গরম কাপড় ক্রেতাসাধারণরা হিমশিম খাচ্ছে নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। সরকারিভাবে কম্বল বরাদ্দ আসলেও সংখ্যায় তা অপ্রতুল। গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন নিম্ববিত্তরা।

শীতের সঙ্গে কনকনে বাতাসের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হচ্ছে না এবং সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে জনশূন্য হয়ে পড়ে।স্কুল – কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষারর্থীদের উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে। বীরগঞ্জ পৌর শহরের বেশিরভাগই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সকাল ১০ টার পর তাদের দোকান খুলছেন।শীতের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থাকছে ক্রেতা শূন্য।

হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা অর্ধেকে নেমে গেছে। বীরগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ড্রাইভার মোঃ দ্বীন ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামলেই আতষ্কের মধ্যে পথ চলতে হচ্ছে। গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে ও সামনের দশ গজ দূরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।

এ কারণে প্রতিটি সড়কেই প্রতিদিনই দুই চারটি দুর্ঘটনা ঘটছে।রিক্সাচালক মানিক চন্দ্র রায় জানান, তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা বাতাসের জন্য গত তিনদিন ঠিক মতো কামাই হচ্ছে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য