উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামে ফুলবাড়ীতে শীত ও ঘনকুয়াশা এবং শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ঘন কুয়াশা ও হিমেল ঠাণ্ডা হাওয়ায় বিপাকে পরেছে দিনমজুর ও দুস্থরা। বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে পুরো এলাকা। দুপুর বেলায় কুয়াশার সাথে লুকোচুরি করে সূর্য। কয়েকদিনের তীব্র শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে মানুষের পাশাপাশি চরম দুর্ভোগে পড়েছে গবাদিপশু। দিনমজুররা পড়েছে কাজের সংকটে। চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার অধিবাসীর শীতের প্রকোপে খড় খুটায় আগুন জ্বলে ঠাণ্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এদিকে তীব্র শীতে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। এছাড়াও বহিঃর্বিভাগ থেকে অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত এক সপ্তাহ ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে ২৬ জন রোগী ভর্তি ছিল। এদের মধ্যে অনেকেই চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা গত দিনের চেয়ে দুই ডিগ্রি নীচে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য