মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরু করতে নয় বরং বন্ধ করতেই’ ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে বিমান হামলার মধ্য দিয়ে সোলেইমানির “সন্ত্রাসের রাজত্বের অবসান” হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক অভিযানে কুদস বাহিনীর প্রধান ছিলেন সোলেইমানি। ইরান অঙ্গীকার করেছে যে, তার মৃত্যুর পেছনে দায়ীদের বিরুদ্ধে “কঠোর প্রতিশোধ” নেয়া হবে।

এই হত্যার মধ্য দিয়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনাকে নতুন করে উস্কে দিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, এর সতর্কতা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ৩ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হবে।

এরই মধ্যে, ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলেছে, সোলেইমানিকে হত্যার ২৪ ঘণ্টা পরই দেশটিতে আরো একটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে ইরাকের একজন সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন এই বিমান হামলায় ৬ জন মারা গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ইরাকের মিলিশিয়াদের একটি গাড়ি বহর লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়।

ওই এলাকায় লড়াইরত আমেরিকার নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী এ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র।

ফ্লোরিডায় নিজের মার-এ-লাগো রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে মিস্টার ট্রাম্প শুক্রবারের হামলার বিষয়ে বলেন: “যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি ত্রুটিহীন ও নির্ভুল বিমান হামলা চালিয়েছে যাতে বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী কাসেম সোলেইমানি নিহত হয়েছে।” তিনি বলেন: “সোলেইমানি আমেরিকার কূটনীতিক এবং সামরিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই বাজে ধরণের হামলার পরিকল্পনা করছিলেন কিন্তু আমরা তার সে কাজ ধরে ফেলেছি এবং তাকে হত্যা করেছি।”

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য