বাগদাদে চালানো বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর পাল্টা হামলার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় শহরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব শহরের বাসিন্দাদের সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। কর্মকর্তারা বলছেন, স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

মার্কিন বিমান হামলায় দেশের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হারিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরান। ‘উপযুক্ত সময়ে, যথাস্থানে’ এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শাদ ওলফ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও অন্যদের সঙ্গে মিলে দেশজুড়ে কাজ করছে তার দফতর। এখন পর্যন্ত কোনও হুমকি শনাক্ত না হলেও যেকোনও কিছুর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশের সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন নিউ ইয়র্কের মেয়র বিল ড্য ব্লাসিনো। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ইরান বা তাদের সন্ত্রাসী মিত্রদের যেকোনও হামলা ঠেকাতে প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, এই হুমকি মোকাবিলায় দীর্ঘদিন সজাগ থাকবে শহর কর্তৃপক্ষ।

নিউ ইয়র্কের পুলিশ কমিশনার ডারমোট শো বলেছেন, ইরান ও ওই অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহের ওপর নজর রাখছে তার বাহিনী। শহরের ওপর কোনও সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্য সময়ের মতো কিছু দেখলেই আপনারা জানান।’

ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের বড় অংশের বাস লস অ্যাঞ্জেলস শহরে। কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই শহরে সতর্কতা জারি করা হয়। শহরের ওপর বর্তমানে কোনও হুমকি না থাকার জানিয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলেছে, যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গেই যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য