ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। প্রতিরোধের সক্ষমতা জোরদারের অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভূমি থেকে সাগরে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং সফলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে।

হামাস ক্রমেই নিজের ক্ষেপণাস্ত্র বাড়াচ্ছে। বর্তমানে হামাসের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ইহুদিবাদী ইসরাইলের জন্য বড় ধরণের আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে। হামাস পাথর দিয়ে সংগ্রাম শুরু করলেও বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির অধিকারী।

হামাসের প্রভাবশালী নেতা সোহেল আল হিন্দি সম্প্রতি বলেছেন, আমরা পাথর দিয়ে সংগ্রাম শুরু করেছি, এরপর মলোটোভ ককটেল ব্যবহার করেছি। বর্তমানে আমরা সামরিক ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, হামাসের নীতি স্পষ্ট। হামাস কোনো ভাবেই দখলদার ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে না, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভিটে-বাড়িতে ফেরার অধিকারের বিষয়ে ছাড় দেবে না, বায়তুল মুকাদ্দাসকে ছাড়বে না এবং ফিলিস্তিনি বন্দীদের ক্ষেত্রেও কোনো আপোষ করবে না। এগুলো হামাসের স্থায়ী নীতি।

১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য