দিনাজপুর সংবাদাতাঃ গত কয়েক দিনের শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে গোটা দেশ। চিরিরবন্দরে তীব্র শীত পড়েছে। শীতের কারণে অনেকটাই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষদের। এ শীত থেকে বাঁচতে তাই তারা ছুটছেন গরম কাপড়ের খোঁজে।

একদিকে ছুটির দিন, অন্যদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় চিরিরবন্দরে কাপড় কেনা যেন ঈদের ধুম পড়েছে। চিরিবন্দর থেকে স্টেশন পর্যন্ত ফুটপাতে দোকানগুলোতে হাজার হাজার ক্রেতার ভিড় দেখা গেছে। তাদের কেউ দর-দামে ব্যস্ত, কেউ আবার পছন্দের পোশাক কেনায় ব্যস্ত। তারা সবাই এসেছেন গরম কাপড় কিনতে। সব এলাকায় একই চিত্র। দুপুর ২টার পর পরই বিভিন্ন এলাকায় বসতে থাকে ফুটপাতের দোকান।

বিকেল ৩টার পর পুরো জমে ওঠে বেচা-কেনা। প্রতিটি দোকানের নারী ও শিশুসহ নানা বয়সী ক্রেতার উপস্থিতি চোখে পড়ে। নি¤œ ও মধ্য আয় থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষ এসেছেন গরম কাপড়ের খোঁজে। এসব দোকানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হলো ট্রাউজার, ফুলহাতা গেঞ্জি, দেশি-বিদেশি জ্যাকেট, ব্লেজার ও বাচ্চাদের পোশাক। বিক্রি বেড়েছে কাপড়ের তৈরি জুতা, মোজা, টুপিসহ বিভিন্ন চাদরের। এসব পোশাকের দামও রয়েছে ক্রেতার সাধ্যের মধ্যে। তাই ক্রেতারা দর-দামের পরিবর্তে পছন্দের পণ্যটি কেনার প্রাধান্য দিচ্ছেন।

১৫০ থেকে ৬৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে জ্যাকেট, ৩০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের গেঞ্জি। হাতের কাজ করা বিভিন্ন চাদর ও শাল পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে, জিন্সের জ্যাকেট ২০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। ব্লেজার পাওয়া যাচ্ছে এক হাজার থেকে দুই হাজারের টাকায়।

ট্রাউজার পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। হাতের কাজসহ বিভিন্ন চাদর ও শাল পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। ৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে কাপড়ের তৈরি জুতা, টুপি ও স্কার্ফ। অন্যদিকে বাচ্চাদের বিভিন্ন সোয়েটার পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ফুলহাতা গেঞ্জিসেট ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, জ্যাকেট ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহামুদুল আলম জানিয়েছেন, সরকারের কাছে দিনাজপুর জেলার গরীব ও দুস্থ্য পরিবারের জন্য ২ লক্ষ পিছ কম্বল চাওয়া হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য