ত্বক, চুল ও নখে সুস্বাস্থ্যের প্রতিফলন দেখা যায়। পরিবেশের পরিবর্তন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার কারণে চেহারায় বয়সের ছাপ ফুটে ওঠে।

জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ত্বকে বয়সের ছাপ ধীর করার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

সূর্যরশ্মি: ত্বকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে সূর্যরশ্মি। সুরক্ষিতভাবে রোদে বের না হলে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ত্বকে এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা, কালো দাগ এবং শুষ্ক চুলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, ত্বক বিশেষজ্ঞরা বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন; এমনকি মেঘলা দিনেও।

খাদ্যাভ্যাস: খাদ্যাভ্যাস ভালো না হলে তার প্রভাব পড়ে ত্বকে। ত্বক অকালেই বুড়িয়ে যায়। সৌন্দর্যের মূল হল পর্যাপ্ত মসৃণতা। ত্বক মসৃণ না হলে কোনো কিছুতেই দেখতে ভালো লাগে না। বাইরে থেকে যে কোনো কিছু ব্যবহার করে ত্বক মসৃণ দেখালেও তা আসলে ক্ষণিকের। ত্বকের আসল সৌন্দর্য ফুটে ওঠে ভেতর থেকে।

ফল এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফল ত্বক স্বাস্থ্যজ্জ্বোল রাখে এবং এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। নিয়মিত মৌসুমি ফল খেলে তা অ্যালার্জি, ত্বকের ক্ষয়, অকালে বৃদ্ধ ভাব, ‘পিগ্মেন্টেশন’ এমনকি সূর্যের কারণে হওয়া ত্বকের ক্ষয় দূর করতেও সহায়তা করে।

অতিরিক্ত চাপ: আধুনিক জীবনটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। দীর্ঘ সময়ের চাপ শরীরের ‘টেলোমেরাস’ নামক ক্রোমজোমের ক্ষয় ঘটায়। এর ফলে প্রাকৃতিকভাবেই মানুষ বৃদ্ধ হয়ে যায়। পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবে মানুষের বৃদ্ধভাব প্রকাশ পায়।

অপর্যাপ্ত ঘুম: মানসিক চাপ, কর্মব্যস্ততা ও অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে ত্বক হয় পড়ে নির্জীব। ফলে চেহারায় সহজেই বয়সের ছাপ ধরা পড়ে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে ত্বক পুনরুজ্জীবিত হতে পারেনা। ফলে সুস্থ কোষও ধ্বংস হয়ে যায়। ফল স্বরূপ বয়সের ছাপ পড়ে। তাই ত্বক ভালো রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের বিকল্প নেই।

আর্দ্রতার অভাব: ত্বক আর্দ্রতার অভাবে বুড়িয়ে যায়। এছাড়া ধুলাবালি ও দূষণের কারণেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখা বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। এটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয় পানি স্বল্পতার জন্য। পর্যাপ্ত পানি পানের পাশাপাশি ত্বকের বাড়তি আর্দ্রতা রক্ষার দিকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত। ত্বক আর্দ্র ও সুস্থ রাখতে সপ্তাহে একবার করে ফেইস মাস্ক ব্যবহার করুন।

তথ্যঃ বিডিনিউজ২৪

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য