আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাটঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) শামীমা সুলতানা যোগদানের পর থেকেই উপজেলা ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিছন্ন রাখার উদ্যোগ নেয়। কয়েক দিন পর পর শ্রমিক নিয়ে নিজেই পুরো উপজেলা ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে পরিস্কার পরিছন্ন করছেন। তার এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ওই উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা লোকজন।

সোমবার সড়ে জমিনে দেখা যায়, এসি ল্যান্ড শামীমা সুলতানা বেশ কয়েকজন মহিলা শ্রমিককে সাথে নিয়ে উপজেলা ক্যাম্পাসের সকল ভবনের সামনে ও পিছনে ঘুরে ঘুরে ময়লা অবর্জনা পরিস্কার করছেন। তিনি নিজেও হাতে ঝাড়ু নিয়ে পরিস্কার পরিছন্ন করছেন। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করছেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফেরদৌস আহম্মেদ।

হাতীবান্ধা উপজেলা ভুমি অফিসে সেবা নিতে আসা উওর ডাউয়াবাড়ী গ্রামের সবুর আলী বলেন, আমার জমির একটা সমস্যা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে ভুমি অফিসে আসা যাওয়া করছি। কিন্তু সমস্যাটা সমাধান হয়নি। আমি কয়েক দিন আগে এসি ল্যান্ডের সরাসরি দেখা করে সমস্যার কথা বললে তিনি আমাকে ১৫ দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধান করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ১৫ দিন নয়, মাত্র ৬ দিনের ব্যবধানে এসি ল্যান্ড আমার জমির সমস্যা সমাধান করে দিয়েছেন। আমি দুই দিন দেখলাম উনি নিজে পুরো উপজেলা ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে ময়না আবর্জনা পরিস্কার করছেন। এসব দেখে আমার খুবই ভালো লাগছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফেরদৌস আহম্মেদ বলেন, এসি ল্যান্ড স্যার ঘুরে ঘুরে ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিছন্ন করছেন। আমরা সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী তাকে এ কাজে সহযোগিতা করছি।

হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) শামীমা সুলতানা বলেন, পরিস্কার পরিছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। আমাদের সকলের উচিত পরিবেশটা পরিস্কার পরিছন্ন রাখা। নিজের উপর দায়বদ্বতা থেকেই আমি আমার ক্যাম্পাসকে পরিছন্ন রাখার চেষ্টা করেছি।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, এসি ল্যান্ডের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। পরিছন্ন উপজেলা তৈরী করতে আমরা অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে চার পাশ পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য