আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নে পবনাপুর গ্রামে ২০০০ সালে ২ একর জমির উপর অবস্থিত পবনাপুর মহিলা কলেজ। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে পবনাপুর মহিলা কলেজটি স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজনৈতিক রোষানলে পড়ে যায়।

অল্প সময়ের মধ্যে অত্রালাকায় নারী শিক্ষায় সফলতায় পাশের হার ভালো হলেও কলেজটি এমপিওভূক্ত হয়নি। এমপিওভূক্ত না হওয়ায় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতন জীবন-যাপন করছেন। কলেজটি এমপিওভূক্ত করার প্রত্যাশায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

পলাশবাড়ী পৌরশহরে একটিমাত্র মহিলা কলেজ এমপিওভূক্ত থাকলেও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে কোথাও কোন এমপিওভূক্ত মহিলা কলেজ নেই। পবনাপুর মহিলা কলেজটিতে একাডেমিক ভবন স্বীকৃতি প্রাপ্ত, শ্রেণী কক্ষ ছাড়াও অবকাঠামোর পাশাপাশি নিজস্ব চাহিদা মোতাবেক আসবাসপত্র, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বর্তমান সরকারের নতুন সংযোজন শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে।

কলেজটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২’শ ৫০ এর অধিক। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ৪২জন। প্রতিবছরের গড় পাশের হার প্রায় ৭৫ শতাংশ। দীর্ঘ ২০ বছর হলো শিক্ষক-কর্মচারীদের শ্রম ও কষ্টে পূর্ণাঙ্গ ভাবে গড়ে উঠা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানটি। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মমূখী শিক্ষার জন্য কারিগরি শাখা সংযুক্ত করা হলে অত্রালাকায় দরিদ্র নারী শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বেকার মুক্ত হত। নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে বর্তমান সরকারের সময়ে কলেজটির একাডেমিক ভবনের স্বীকৃতি মিললেও এমপিওভূক্ত না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববেতর জীবন-যাপন করছেন।

একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পবনাপুর মহিলা কলেজটি এমপিওভূক্তির বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছেন শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য