সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডির মনিটরিং টিম বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়মিতভাবে মনিটরিং করে থাকে সাইবার মনিটরিং করাকালীন সময়ে দেখতে পায় যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে Rifat Ahamad নামক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার আইডির প্রোফাইল এবং কভার পিকচারে পুলিশের ছবি ব্যবহার করছে।

বিভিন্ন সময়ে ফ্রিলান্সিং করার জন্য তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে পোষ্ট দিচ্ছে। এবং নিজেকে ফেসবুকে Counter Terrorism &Transnational Crime এর Additional deputy commissioner এবং সিআইডির অফিসার পরিচয় দেয়। । বিষয়টি সাইবার মনিটরিং টিম পর্যবেক্ষনে রেখে তাকে সনাক্ত করার চেষ্টা করতে থাকে।

ইতি মধ্যে সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টার কর্তৃক পরিচালিত Cyber Police Centre, CID, Bangladesh Police ফেসবুক পেইজে বেশ কিছু ব্যক্তি উক্ত আইডি সম্পর্কে অভিযোগ করে, Rifat Ahamad নামক ফেসবুক ব্যবহারকারী নিজেকে পুলিশের এডিসি পরিচয় দিয়ে তাদেরকে ফ্রিলান্সিং করার জন্য তাদের নিকট হতে রকেট এ্যকাউন্টে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ১০০০০-২০০০০ হাজার করে টাকা গ্রহন করছে।

দিনাজপুরে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে ফেসবুকে প্রতারণা আভিযোগে আটক ১ -Dinajpur, Dinajpurnews, Dinajpur news, দিনাজপুর, দিনাজপুরনিউজ, দিনাজপুর নিউজ বাংলা, বাংলানিউজ bangle, banglanews, Bangladesh, বাংলাদেশ I+সাইবার পুলিশ সেন্টারের সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া প্রেস নোটে জানান হয়, উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম Rifat Ahamad নামক ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য উদঘাটনের কাজ শুরু করে ।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের টিম জানতে পারে যে, দিনাজপুর জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানে বসে Rifat Ahamad নামক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার আইডিটি পরিচালনা করছে।

উক্ত ব্যবহারকারীকে ধৃত করার জন্য সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার এবং অতিঃ বিশেষ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সিনিয়র এএসপি জুয়েল চাকমা এবং এএসপি চাতক চাকমার নেতৃত্বে সাইবার পুলিশ সেন্টারের একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে দিনাজপুর জেলার পাহারপুর হতে মোঃ রিফাত আহম্মেদ @রুবন (৩০), পিতা-মাহফুজুল হক, মাতা-মিসেস রুমা লায়লা, সাং-পাহারপুর, ওয়ার্ড নং-১০, থানা-কোতয়ালী, জেলা-দিনাজপুরকে গত শনিবার তার নিজ বাড়ী হতে গ্রেফতার করে ।

প্রস নোটে জানান হয়, গ্রেফতার পর জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে বিগত কয়েক মাস ধরে প্রায় ২০-৩০ জনের কাছ থেকে কখনো পুলিশের এডিসি আবার কখনো ডিআইজি পরিচয় দিয়ে রকেট এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ গ্রহন করে আসছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো কেউ যদি উনাকে টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়ে থাকেন, সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য