বাজারে পিঁয়াজের দাম সাধারন মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে চলে যাচ্ছে। আর তাই আমরা চেষ্টা করছি কিভাবে রসনার স্বাদ বজায় রেখে দৈনন্দিন রান্নাগুলি করতে পারি। এখন যে রেসিপিটি দেখাচ্ছি, সেটা আমার আম্মুর রেসিপি। আম্মু বলে, এখন না-কি তরকারিতে পেঁয়াজের ব্যবহার অনেকটাই কমিয়ে ফেলেছে এবং কেউ খেয়ে ধরতেই পারেনা যে এই রান্না কিভাবে করা হয়েছে। আম্মু না বললে আমরাও হয়তো জানতে পারতাম না যে পেঁয়াজ ছাড়া এত্ত মজার রান্না করা যায়।

 

 

তৈরী করতে লাগছে –

  1. বড় মাছের টুকরো ৬ পিস (আনুমানিক ৬৫০ গ্রাম)
  2. শুকনো মরিচের গুঁড়ি
    • মেরিনেট করতে ১ টেবিল চামুচ
    • রান্নায় ১ চা চামুচ
  3. হলুদের গুঁড়ি
    • মেরিনেট করতে ০.৫ চা চামুচ
    • রান্নায় ০.২৫ চা চামুচ
  4. লবণ
    • মেরিনেট করতে ১ চা চামুচ
    • রান্নায় ১ চা চামুচ
  5. রান্নার তেল
    • ভাজার জন্য প্রয়োজন মতো
    • রান্নায় ০.২৫ কাপ
  6. টমেটো কুচি ১ কাপ
  7. আদা বাটা ১ চা চামুচ
  8. রসুন বাটা ১ চা চামুচ
  9. সরিষা বাটা ২ টেবিল চামুচ
  10. ধনে গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  11. জিরা গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  12. সামাণ্য ধনে পাতা
  13. ৪/৫ টি কাঁচা মরিচ

✔ বিভিন্ন পেজ/গ্রুপে একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায়, মাছ রান্না নিয়ে অনেকেরই সন্দেহ রয়েছে। অনেক বিতর্ক হয় যে এটা কেনো দিলেন, ওটা কেনো দিলেন না, এটা দিলে তো মাছের নিজের ফ্লেভারই চলে যাবে ইত্যাদি। একটা কথা বলতে চাই, কোন তরকারি কিভাবে রান্না হবে, সেটা নির্ভর করে একটা এলাকা ও পরিবারের উপরে। পৃথিবীর বহু দেশে মাছ কাঁচাই খাওয়ার চল আছে। আমাদের দেশের ফরিদপুর/বরিশাল অঞ্চল এবং পশ্চিম বঙ্গের মানুষ ইলিশ মাছে অনেক কম মসলা ব্যবহার করে। অথচ আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সব মসলা দিয়ে রান্না করি। তাই আমি বলবো, আপনি যদি কোনো রেসিপি জানেন, তাহলে সেটাই ফলো করুন এবং অন্যকে হেও করবেন না বা নতুন কিছু করলে অনুগ্রহ করে কটুক্তি করবেন না। আর নতুনকে স্বাগতম জানানরও চেষ্টা করতে পারেন, নতুন একটা রেসিপি ট্রাই করেই দেখুন না! আদা/রসুন বাটা দিলে ইলিশ মাছের ফ্লেভার থাকে না চলে যায়, সেটা কখনও পরীক্ষা করেছেন? না করে কাক কান নিয়ে গিয়েছে ভেবে কাকের পেছনে ছুটছেন? আশা করছি আমি কি বলতে চেয়েছি বুঝতে পেরেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য