দিনাজপুর সংবাদাতাঃ উত্তর জনপদের দিনাজপুরের বীরগঞ্জে এরইমধ্যে প্রচন্ড শীত জেঁকে বসেছে। শীতের কারণে বীরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার হাট-বাজারে শীতবস্ত্র বিক্রির ধূম পড়েছে। ধনীরা দামী মার্কেটের গার্মেন্টস গেলেও নিম্ন আয়ের মানুষদের গন্তব্যস্থান হয়ে উঠেছে ফুটপাত।

জানা গেছে,বীরগঞ্জে দিনে প্রচন্ড গরম। আবার রাতে প্রচন্ড শীত লেপ তোষকে ও শীত নিবারণ হচ্ছে না। হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে ভিড় জমেছে। তবে টাকা না থাকায় মধ্যবিত্ত পরিবাগুলো পড়েছে বিপাকে। তারা ধান কেটে শীতবস্ত্র কিনে থাকে। কিন্ত ধানের দাম না পাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে তাদের।

বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর গ্রামের বওয়াল মারি গ্রামের কৃষক সতীশ চন্দ্র রায় বলেন, ধান বেচে সারা বছরের জন্য বউ, ছেলে ও পরিবারের কাপড় চোপড় কেনা হয়ে থাকে প্রতি বছর। ফলে কিছুই কেনা যাবে না। তিনি বলেন, এবার যত কষ্টই হোক এই সময় ধান বিক্রি করবেন না তিনি। তার মতে কৃষকের ধান বেচাবিক্রি শেষ হলে ব্যবসায়ীদের শুরু হবে পোয়াবারো। তার আলামত এখনই দেখা যাচ্ছে। ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন মিল মালিকরা।

মনে হচ্ছে এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে। নিজপাড়া নখাপাড়া গ্রাম নীলকান্ত রায় ও অনুরূপ চিন্তাভাবনা করছেন। বলছেন,এই মুহুর্তে ধানের দাম না পেলেও সামনে দাম বাড়তে পারে। তাই কষ্ট করে হলেও এবার তিনি ধান ধরে রাখবেন এবং দেরিতে বিক্রি করবেন।

মঙ্গলবার বীরগঞ্জ পৌরশহরের বিজয় চত্বরের পাশে আব্দুল হান্নানের কাপড় দোকানে কিনতে আসা নিজপাড়া ইউনিয়নের বানপাড়া গ্রামের রাজেন্দ্রনাথ রায় বলেন, এখানে কম দামে ছোট-বড়দের শীতের কাপড় ভাল পাওয়া যায়। তাই এখানে কাপড় কিনতে এসছি। তবে কাপড় বিক্রেতা হান্নান জানান, শীতের কাপড় বিক্রি শুরু হয়েছে তবে তুলনামূলক কম।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য