উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ অস্ত্র পরীক্ষাকে ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ’ মন্তব্য করে দেশটির তোপের মুখে পড়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

বৃহস্পতিবার পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া যেগুলোকে ‘অতি-বৃহৎ মাল্টিপল-রকেট লঞ্চার’ নামে অভিহিত করেছে তারা।

ওই রকেট পরীক্ষার নিন্দা করে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সেগুলোকে ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এর প্রতিক্রিয়ায় অস্ত্র পরীক্ষাকে ভুলভাবে চিহ্নিত করায় আবেকে ‘নির্বোধ’ ও ‘রাজনৈতিক বামন’ বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।

শনিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জাপানকে ‘শিগগিরই আসল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কী তা দেখানো হতে পারে’ বলে হুমকি দিয়েছে, জানিয়েছে বিবিসি।

উত্তর কোরিয়ার দক্ষিণ হামগিয়ং প্রদেশ থেকে ছোড়া রকেট দুটি জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে। এ দুটিকে ‘অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র’ বলে অভিহিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

এই উৎক্ষেপণের নিন্দা করে আবে বলেন, “উত্তর কোরিয়ার বারবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ গুরুতর অবাধ্যতা, শুধু আমাদের দেশের প্রতিই নয় পুরো বিশ্বের প্রতি।”

উত্তর কোরিয়া একটি ছবি প্রকাশ করে দেশটির নেতা কিম জং উন উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ বলেছে, “আবেকে বিশ্বের একমাত্র নির্বোধ এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বেকুব বলাই যায়, কারণ প্রতিবেদনের সঙ্গে ছবি থাকা সত্বেও সে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেমের পার্থক্য ধরতে পারেনি।

“সত্যিকার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কী তা হয়তো নিকট ভবিষ্যতে আবে দেখতে পাবে তার নাকের নিচে। আবে সম্পূর্ণ নির্বোধ ও রাজনৈতিক বামন ছাড়া আর কিছুই না।”

উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ওপর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচীর কারণে দেশটি বহু ধরনের নিষেধাজ্ঞার মোকাবিলাও করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য