বলিভিয়ার সদ্য পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস দাবি করেছেন, সে দেশে মার্কিন মদতে অভ্যুত্থান করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। বিশ্বের প্রথম এই আদিবাসী প্রেসিডেন্টের দাবি, দেশটিতে লিথিয়ামের বিশাল খনিজ সম্পদ হাতিয়ে নিতেই যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বলিভিয়ায় ২০ অক্টোবরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন ইভো মোরালেস। তবে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন শুরু করে বিরোধীরা। ১০ নভেম্বর সেনাবাহিনী ও বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা দেন দেশটির প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট মোরালেস। পরদিন মেক্সিকোয় আশ্রয় নেওয়ার পর রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।

২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোরালেস দাবি করেন, অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস বা ওএএস নামে মার্কিন মদতপুষ্ট সংস্থা এই অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মোরালেসের দাবি, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম লিথিয়াম খনিজ সম্পদ রয়েছে বলিভিয়ায়। অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কথা ভেবে একে জাতীয়করণ করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে এ সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য মার্কিন মদতপুষ্টরা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে তাকে সরিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যুৎচালিত গাড়ি এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি তৈরির জন্য লিথিয়াম অপরিহার্য। ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা দ্বিগুণ হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য