দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর মহিলা পরিষদের সাধারন সম্পাদক ড. মারুফা বেগম বলেছেন, শতাব্দীর নির্ভীক,নির্লোভ, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব,নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃত,মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্বসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আালোর দিশারী এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ও বাহক কবি সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালে ৮৮ বছর বয়সে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার মৃত্যুতে যে বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল তা কখনই পূরণ হবার নয়।

২০ নভেম্বর বুধবার বিকাল ৩টায় জেলা কার্যালয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর ২১ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ড.মারুফা বেগম জেলা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল একজন প্রকৃত সকলধরনের অন্ধত্ব, গোড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এবং স্বৈর ও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ, ঘাতক-দালালদের বিচারের দাবীতে অনমনীয় ব্যক্তিত্ব এবং নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার অনন্ত প্রেরণার উৎস।

দিনাজপুর মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি অর্চনা অধিকারী সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক রতœা মিত্র। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি,নুরুন নাহার, মিনতি ঘোষ লিগ্যাল এইড সম্পাদক জিন্নুরাইন পারু, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবিনা আকতার, সদস্য গোলেনুর,শুক্লা কুন্ডু, মিনতি এক্কা,শিবানী উড়াও, তরুণী সদস্য বিলকিছ , শতাব্দী কুন্ডু, জেলা ও পাড়া কমিটির সদস্যবৃন্দ। সভায় পরিচলনা করেন সহ সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারা সানু।

বক্তারা বলেন, শতাব্দীর সাহসিকা কবি সুফিয়া কামাল জাতির বিবেক। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার বুকের ভেতরের আগুন ও সাহস, তিনি সঞ্চারিত করে দেন অন্য অনেকের মধ্যে। শুধু সাহসিকা নন, পরম মমতাময়ী, সংকট উত্তরণের সংগ্রামে সাহস ও প্রেরণাদাত্রী। অমিততেজ এই মানুষটি সকলের কাছে ছিলেন অসীম প্রেরণার উৎস, অন্ধকারে আলোর শিখা। তাঁর আদর্শ ও কর্মময় জীবনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে চিরকাল পথ দেখাবেন- জাতির মাঝে চিরঞ্জীব থাকবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য