দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দর রাণীরবন্দরে নিয়মিত রাস্তার পাশে ডাস্টবিনের মধ্যেই চলছে গরু জবাই। বর্জ্য অপসারনের ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন পরে থাকছে নারি ভুড়ি ও রক্ত। দূর্গন্ধ ও রোগ জীবাণু ছড়িয়ে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে স্থানীরা। রাণীরবন্দর বাজারের সব আর্বজনা ও হোটেলের ময়লা পানি সেখানকার একটি গর্তে ফেলে দেয়া হচ্ছে। ডাস্টবিনের মত ব্যবহিত সেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই জবাই করা হচ্ছে গরু।

সরেজমিনে রাণীরবন্দর পুরাতন বন্দর যাওয়ার রাস্তায় ডাস্টবিনের পাশেই কসাইদের পশু জবাই করতে দেখা যায়। সেখানে রয়েছে লক্ষ লক্ষ জীবানু। এই জীবানুর মধ্যেই তারা গরু জবাই করে চামড়া ছাড়ানোর কাজ করছে। জবাই করার পরে নোংরা হয়ে যাওয়া জায়গাতেই আবারও চলছে পশু জবাই। অপরিষ্কার জবাইখানায় একের পর এক পশু জবাই করায় জমে উঠছে বর্জ্যের স্তূপ। এতে বর্জ্যের দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে।

ওই এলাকর স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রাস্তার পাশে জায়গা মালিক আইজুল ইসলামকে কসাইরা গরু প্রতি ৫০ টাকা চাঁদা দিয়ে গরু জবাই করতেছে। গরুর বর্জ্যের গন্ধে আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। মাঝে মাঝে মনে হয় অন্যত্রে চলে যাই। দূর্গন্ধ ও রোগজীবাণু যুক্ত জায়গায় থেকে আমরা ছেলে মেয়েসহ সবাই মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরেছি।

স্থানীয় দোকান মালিকরা জানায়, গরুর বর্জ্যের দূর্গন্ধে এদিকের দোকান গুলোতে কেউ আর ফিরে তাকাচ্ছে না। নাক-মুখ চেপে ধরে সাবাই দ্রূত এই জায়গা থেকে চলে যাচ্ছে। ব্যবসা না চলার ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে মহাবিপদে আছি আমরা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ড. আবু সাঈদ বলেন, নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্যত্র পশু জবাই করা হলে পরিবেশ নষ্ট হয় এবং তা আইনত অপরাধ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য