দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় সরকারী ভাবে পেডি সাইলো নির্মান করা হলে এবং সাইলো ফেনিং মেশিন দিয়ে প্রতি ঘন্টায় শত শত মন ভেজা ও কাঁচা ধান গুদাম জাত করা যেত। কৃষক লাভবান হত! এ অঞ্চলে গরীর কৃষকের অর্থ্নীতির চাকা সচল হত।ঘটত কৃষকের কৃষি বিপ্লব।

প্রকাশ, বিরামপুর কৃষকের উৎপাদিত পন্য বছরের দু ফসল ধান, এই ধান দিয়েই কৃষকেরা সারা বছর সকল ধরনের কার্য্ পরিচালনা করে থাকেন।

আমন মৌসুমে আবহাওয়া কৃষকের অনুকুলে থাকায় সমস্যা না হলেও বোরো মৌসুমে হাজার হাজার টন ধান নিয়ে কৃষকে পড়তে হয় বিপাকে। এক সাথে শত শত একর জমির ধান কাটা-মাড়াই করতে হয়।

হাজার হাজার মন ধান কৃষকের ঘরে ওঠে।চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী এবং বর্ষা মৌসুম চলায় কৃষকেরা ঠিকমত ভেজা ও কাঁচা ধান শুকানোর জায়গা না থাকায় কষ্টের উৎপাদিত ধান নষ্ট হয়ে যায়। পানির দামে ধান বিক্রী করতে হয়।

কখনএ কখনও ধান কেনার লোক পাওয়া যায়না। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাম্পার ফলনেও দাম পড়তির কারনে কৃষকের মুখে হাসি থাকেনা। ধান নিয়ে পড়তে হয় তাদের বিপাকে।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, প্রতিবছর এ উপজেলায় (প্রায়)দেড় লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। বোরে মৌসুমে চার উপজেলায় কৃষক ধান নিয়ে পড়ে বিপাকে।
উপজেলার কৃষকরা পেডি সাইলো নির্মান জন্য বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের মাননীয় প্রাধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য