সংবাদ সম্মেলনঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করাই কি আমার অপরাধ ছিলো সংবাদ সম্মেলনে বললেন ডা: মো: শাহজাদ হোসেন সাজ্জাদ।

পরিবারসহ আজ নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দিনাজপুরের বিশিষ্ট চিকিতসক-সমাজসেবক ও উদীয়মান রাজনৈতিক এবং স্বাচিপ নেতা ডা: মো: শাহজাদ হোসেন সাজ্জাদ ।

বুধবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে পরিবার পরিজনসহ নিজের জীবনের নিরাপত্তা চান ডা: শাহজাদ হোসেন সাজ্জাদ। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৫ (পার্বুতীপুর-ফুলবাড়ি) আসনে সংসদ সদস্য পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ার কারনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি‘র রোষানলে ও বিরাগভাজন হয়ে বিভিন্ন সময়ে শাররীক মানসিক ও সামাজিক ভাবে নির্যাতিত নিপিড়িত হচ্ছি। তার মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের ভয়ে এখন আমি পরিবার পরিজনসহ জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

তিনি বলেন ,সাবেক মন্ত্রী ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা ইতিমধ্যেই আমাকে নানাভাবে হামলা, অত্যাচার-নির্যাতন করেছে এবং হত্যার হুমকী প্রদনা করছে। গত ২৫ জানুয়ারী সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি‘র উপস্থিতিতে এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির নির্দেশে আমাকে শারিরিকভাবে মারাত্বক জখম করা হয়।

তিনি জানান, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর পার্বুতীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাতি হয়েছিলাম এবং দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি গঠনতন্ত্রের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই আমাকে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেন এবং সভাপতি পদে মোশাররফ হোসেন সমাজকে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন। এবিষয়ে দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সা: সম্পাদক ওবাইদুল কাদের বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

তার পরে সাবেক মন্ত্রীর সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৮ অক্টোবর পৌর আওয়ামীলীগের ওর্য়াড কাউন্সিল চলাকালিন সময়ে মোশাররফ হোসেন সমাজসহ আরো ৭/৮ জন সন্ত্রাসী আমাকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে আহত করে। দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিতসা শেষে গত ৩ নভেম্বর দিনাজপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত নং ৫ (পার্বুতীপুর) একটি মামলা করা হয়,মামলা নং সি.আর -৩২১/২০১৯ (পার্বুতীপুর)।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,সচেতন মানুষ হিসেবে রাজনীতি করতে গিয়েছিলাম এবং মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছিলাম বলেই আমি এখন সাবেক মন্ত্রীর রোষানলে পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সন্ত্রাসীদের ভয়ে অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি ও আমার পরিবার জীবনের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য প্রত্যাশা চাই নইলে হয়তো একদিন ওরা আমাকে জানে মেরে ফেলবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্ত্রী সানজিদা শবনম প্রতিবেশী মো: জহুরুল ইসলাম ও শংকর কুমার মোহন্ত প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য