দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় মন্দিরের মূর্তি চুরি ও ভাংচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং-০২, ০১/১১/১৯ইং। এঘটনায় দুস্কৃতিকারীদের অবিলম্বে আটকের দাবীতে মানববন্ধন করেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মন্মথপুর ইউনিয়নের ১নং তাজনগর কালীরডাঙ্গা দুর্গা মন্দিরে লক্ষী প্রতিমা চুরি ও শিব প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে কতিপয় দুর্বত্ত। এ ঘটনায় দুবৃত্তদের আটকের দাবীতে ১ নভেম্বর শনিবার মন্দিরের সামনে একটি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এছাড়াও উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে কালিরডাঙ্গা সার্বজনীন কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মিলন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে পার্বতীপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ১ নভেম্বর শনিবার ভোরে শিব মন্দির সংলগ্ন রাস্তায় একটি মাথা বিহীন শিব মুর্তি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দা মনিকা রাণী দাস (৬০)। তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি অবগত করলে তারা মন্দিরে গিয়ে দেখে শিবের মাথা রয়েছে আর মাথা বিহীন শিব মুর্তিটি রাস্তায় পড়ে আছে।

এছাড়াও পাশের দুর্গা মন্দিরে থাকা লক্ষী প্রতিমা না থাকায় সাথে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দদের অবগত করলে তারা তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী। এজাহারে ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বত্তদের আইনের আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

মামলার বাদী সার্বজনীন কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মিলন চন্দ্র দাস আজ রবিবার বিকেলে বলেন, মামলা হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোন দুবৃত্তদের আটক করতে পারে নাই থানা পুলিশ। আমরা এ ঘটনায় আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়েছি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, মন্দিরের মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় মামলা প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত কোন দুবৃত্তকে আটক করতে পারি নাই। এজাহারে ঘটনাকারী নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নাম না থাকায় সময় লাগছে। তবে দুবৃত্তদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য