দিনাজপুরনিউজ ডেক্সঃ গরীবের মাংস নামে পরিচিত পেঁয়াজ এখন আর গরীব মানুষের নাগালে নেই। অভাবের তাড়নায় সাদা ভাত আর পেঁয়াজ যারা অন্তত একবেলা খেতে পারতো,  ক্রমাগত দাম বাড়ায় কেজি হিসেবে পেঁয়াজ ক্রয় এখন তাদের ক্ষমতার বাহিরে।

ভর্তা প্রিয় দিনাজপুর বাসির দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা থেকে হারিয়ে গেছে কাঁচা পেঁয়াজের সালাদ, পেঁয়াজ মিশ্রীত নানা ভর্তার আইটেম। হারিয়ে যাচ্ছে ডিম ও ছোট-বড় মাছের দো-পেঁয়াজি। এদিকে আজ দিনাজপুরের ছোট ছোট বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেল পেঁয়াজ বিক্রির নতুন একটি রিতি। সেখানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে হালি হিসেবে।

দিনাজপুরে কেজি নয় পেঁয়াজের হালি এখন ২০ টাকা। নিম্ন আয়ের ক্রেতারা হালি হিসাবে পেঁয়াজ কিনছেন। আর ওজন করে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। এতে প্রতিটি পিঁয়াজের মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৫ টাকা।

আজ শনিবার জেলার ছোট-বড় বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ১৫০-১৬০ টাকায়। বিরল, বোচাগঞ্জ, বীরগঞ্জ, আমবাড়ীর বিভিন্ন বাজারে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য হালি হিসেবে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

হালিতে পেঁয়াজ বিক্রি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের পেঁয়াজ কিনায় সুবিধা হলেও এক দিক দিয়ে তারা প্রতারিত হচ্ছে। প্রতি কেজিতে বড় চালানি পেঁয়াজ উঠে ৩৬ থেকে ৩৮টি মত। এতে প্রতি কেজি হিসেবে দামে পুষিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়িদের।

অর্থের অভাবে কেজি হিসেবে কিনতে না পারলেও হালি হিসেবেই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। সন্ধায় কাঞ্চন ব্রীজ এলাকার ভ্রাম্যমান আস্থায়ি দোকান থেকে ক্রয়কৃত নিম্নআয়ের পেঁয়াজের ক্রেতারা সাংবাদিককে পেঁয়াজ নিয়ে লিখতে বলেন। তারা প্রতারনার হাত থেকে নিস্কৃতির লক্ষে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য