সিরিয়ার ইদলিবের তুরস্ক নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের অভিযানে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি-র মৃত্যুর মার্কিন দাবি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই সিএনএন-সহ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে।

পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদাদি-র মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন দাবি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে রাশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, বাগদাদি-র মৃত্যু হলে তার মরদেহ কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সিএনএন-কে জানিয়েছে, বাগদাদির মরদেহ হয়তো সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এনবিসি নিউজ-এর মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও ব্রায়েন বলেন, তার মরদেহের বিষয়টি যথাযথভাবেই নিষ্পত্তি করা হবে।

২০১১ সালে পাকিস্তানে অভিযান চালিয়ে আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে তার মরদেহ সাগরে নিক্ষেপ করা হয়। বাগদাদি পরিণতিও কি একই রকমের হবে? এনবিসি নিউজ-এর এমন প্রশ্নের উত্তরে রবার্ট ও ব্রায়েন বলেন, এক্ষেত্রেও আমি এটাই আশা করি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, শনিবার রাতে সিরিয়ার ইদলিবে নিখুঁত অভিযান চালানো হয়েছে। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর রাত্রিকালীন ওই অভিযান ছিল বিপজ্জনক ও দুঃসাহসিক। অভিযানে স্পেশাল ফোর্সের কুকুরের তাড়া খেয়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে তিন শিশু সন্তানসহ নিজেকে উড়িয়ে দেয় আইএস নেতা বাগদাদি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আইএস নেতা সারা পথ কাঁদতে কাঁদতে শেষ পর্যন্ত একমুখ বন্ধ একটি টানেলের মধ্যে ঢুকে মারা গেলো। আত্মঘাতী বেল্ট পরে সে নিজেকে ও তার তিন শিশুকে হত্যা করলো। কুকুরের মতো, কাপুরুষের মতো মারা গেলো। এখন পৃথিবী তুলনামূলক বেশি নিরাপদ।’ সূত্র: সিএনএন

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য