২১ অক্টোবর কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশটির ৪৩ তম সাধারণ নির্বাচন। একদিন বাদেই নির্বাচন, তাই তার প্রস্তুতিকে ঘিরে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনে প্রধান দুই দল, লিবারেল পার্টি আর কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে মূল লড়াই হলেও আরো চারটি দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। সেগুলো হচ্ছে তৃতীয় শক্তিশালী দল নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ব্লক কুইবেক, গ্রিন এবং পিপলস পার্টি।

নির্বাচনে মিডিয়া, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সংগঠন বেশ কয়েকটি জরিপ চালিয়েছে। সেগুলোর প্রায় সব ক’টায় লিবারেল পার্টি এগিয়ে আছে। বিশেষ করে ব্যক্তি জাস্টিন ট্রুডোর জনপ্রিয়তার কাছে কনজারভেটিভ পার্টির এন্ড্রো স্কিয়ারের জনপ্রিয়তা প্রায় শুন্যে কোঠায়। তবে প্রতিক্রিয়াশীল কনজারভেটিভ পার্টির সাদা ভোটাদের পরিমাণ বেশি আর কালো-বাদামী অর্থাৎ সিংহ ভাগ অভিবাসীরা লিবারেল সমর্থক। লিবারেল পার্টির নেতা জাস্টিন এ ব্যাপারে বলেন, ‘আমাদের একটি প্রগতিশীল বিরোধীদলের চেয়ে প্রগতিশীল সরকার দরকার।’

গত নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৫ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছিল লিবারেল পার্টি। সেবার ৩৩৮টি আসনের মধ্যে ১৮৪টি আসনে তারা জয় পায়, বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি জয় পায় ৯৯টি আসনে, ৪৪ আসনে জয় লাভ করে এনডিপি। বাকি যেসব দল রয়েছে তারা কেউই পার্লামেন্টের দলীয় স্ট্যাটাস পায়নি।

গতবার লিবারেল পার্টি ৩৯.৪৭%, কনজারভেটিভ পার্টি ৩১.৮৯%, এনডিপি ১৯.৭১%, ব্লক কুইবেক ৪.৬৬%, গ্রিন পার্টি একটি আসন পেয়ে ৩.৪৫% ভোট পায়। এছাড়া পিপলস পার্টি আসনহীন ছিল ২০১৫ সালের নির্বাচনে। তাদের ভোটের পরিমাণ ছিল ০%।

উল্লেখ্য, জাস্টিন ট্রুডোর নির্বাচনী আসন মন্ট্রিয়ল শহরের ‘পাপিনিউ’। সেখানে প্রচুর বাংলাদেশি ভোটার রয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য