মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী ও সাবেক মন্ত্রী ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। ১৬ অক্টোবর বুধবার সকালে হঠাৎ করেই সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে আসেন।

এসময় তাদের সাথে ছিলেন নীলফামারী সিভিল সার্জন ডাঃ রণজিৎ কুমার বর্মণ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বাদল, ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আরিফুল হক সোহেল, সৈয়দপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল হাসনাত ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দিল নেওয়াজ খান প্রমুখ।

পরিদর্শন কালে মন্ত্রী ও সাবেক মন্ত্রীদ্বয় হাসপাতালে বিভিন্ন সমস্যাবলী সম্পর্কে অবহিত হন। এ ব্যাপারে উপস্থিত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, এখানে নাক-কান, গলা ও চর্ম-যৌন রোগের চিকিৎসক নেই, এনেসথেসিয়ালিষ্ট না থাকায় অপারেশনের কার্যক্রম বন্ধ, রোগীদের প্রয়োজনীয় বাথরুম নেই। ডিজিটাল এক্সরে মেশিনসহ অত্যাধুনিক জিনিসপত্রের অভাব।

অতিথিবৃন্দ বিষয়গুলো জেনে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ^াস দেন।

উল্লেখ্য, ভোগলিক অবস্থানগত কারণে সৈয়দপুর সহ নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ, রংপুরের তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর, খানসামা, পাকেরহাট, চিরিবন্দর উপজেলা লোকজনও এখানে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। সে কারণে এটিকে ১০০ শয্যা হাসপাতালে রূপান্তর করা হয় কিন্তু সে অনুযায়ী চিকিৎসক, লোকবল ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের সংস্থান না থাকায় যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অত্র এলাকার লোকজন। সারা দেশে যেখানে ডিজিটাল চিকিৎসা সেবার ছোয়া লেগেছে সেখানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল পূর্বের মতই এনালগ অবস্থায় পড়ে আছে। (ছবি আছে)

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য