দিনাজপুর সংবাদাতাঃ শারদিয় দূর্গা পুজার ছুটি শেষে গত শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেয়াজ আমদানি না হওয়ায় আবারও বন্দরের মোকামে দিন দিন দাম বাড়তে শুরু করেছে পেয়াজের। গত শুক্রবার প্রতি কেজি পেয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা খোলাবাজারে বিক্রি হলেও এখন সে পেয়াজ বিক্রয় হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা। প্রতি কেজিতে পেয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। ভারত থেকে পেয়াজ আর না আসার কারনে আবারও ব্যবসায়ীরা তাদের মজুতকৃত পেয়াজ গুদামে আটকে রাখছে।

ভারত সরকার পেয়াঁজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর পেয়াজে দাম হঠাত করেই বৃদ্ধি পায়। পেয়াজ রফতানি ঘোষনার ৪দিন পর আবারও পুরনো এলসির পেয়াজ সরবরাহ করেন রফতানিকারকরা। বন্দর দিয়ে দেশে পেয়াজ প্রবেশের সাথে সাথে কমতে থাকে পেয়াজের দাম। পেয়াজ প্রতিকেজি হিলি বন্দরে বিক্রি হয় ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।

পুজা ছুটির পর বন্দর দিয়ে গত শনিবারে ৯১ গাড়ী ও রবিবার ২০২গাড়ী বিভিন্ন পন্য বন্দর দিয়ে আমদানি হলেও পেয়াজের একটিও গাড়ী প্রবেশ করেনি। বন্দর দিয়ে ২দিনে পেয়াজ গাড়ী প্রবেশ না করায় ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়েছেন।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আমদানিকারকদের ঘরে পেয়াজ থাকলেও তারা বেশি লাভের আশায় খোলা বাজারে পেয়াজ বিক্রি করতে চাচ্ছেনা। যার কারনেই দিন দিন দাম বাড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আমদানিকারক আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন,সব মিলে কয়েকটি গুদামে ১০ থেকে ১৫ গাড়ী পেয়াজ মজুত আছে। তারা পেয়াজগুলো স্থানীয় বাজারে ধিরে ধিরে সরবরাহ করছেন যাতে স্থানীয় জনগন পেয়াজ সংকটে না পড়েন।

তিনি আরও জানান, ভারত থেকে পেয়াজ আমদানির উপর থেকে সে দেশের সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে আগামীতে আরও পেয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা রয়েছে। তারা পেয়াজ আমদানির ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য