ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মরেনো রাজধানী কুইটো ও এর আশেপাশে কারফিউ জারি ও সামরিক নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ জারি করেছেন। সরকারের ব্যয় কমানের পদক্ষেপের প্রতিবাদে গত ১১ দিনের প্রতিবাদ বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট শনিবার এ নির্দেশ জারি করেন। এদিন ৩৪ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।

টুইটারে এক ঘোষণায় লেনিন বলেন, এ নির্দেশের ফলে অসহনীয় সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি বাহিনীর কাজ সহজ হবে।

জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি আরো বলেন, ‘অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং অভিযানের জন্যে

আমি সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ডকে নির্দেশ দিয়েছি।’ প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, তিনি ইকুয়েডর জুড়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার করতে চান।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ২৭ লাখ লোকের নগরী কুইটোতে জরুরি অবস্থা জারি করেন। এখন সেখানে ৭৫ হাজার সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।
এদিকে কুইটোজুড়ে শনিবারও বিক্ষোভকারীরা তাদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রাখে। তারা কম্পট্রলার জেনারেলের কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওই ভবন থেকে কালো ধোঁয়ার কুন্ডলি উড়তে দেখা গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩৪জনকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় কারফিউ কার্যকরের পরও বিক্ষোভকারীরা তা আমলে নিচ্ছিল না। নিরাপত্তা বাহিনীকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছিল বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, দেশটির প্রেসিডেন্ট মরেনোকে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এই সংকটের জন্যে তিনি তার পূর্বসুরী রাফায়েল করেয়ার প্রশাসনের দুর্নীতি ও অপচয়কে দায়ী করে আসছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য