06_USA--middle class এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরা আর বিশ্বের সবচেয়ে ধনিকশ্রেণী নয়। সম্প্রতি এই অবস্থার অবনতি ঘটেছে। সম্পদশালী যুক্তরাষ্ট্রবাসীরা তাদের বিশ্ব প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়ে গেলেও সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিম্নবিত্তরা তো বটেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরাও বিত্ত বিবেচনায় অন্যান্য উন্নত দেশ থেকে পিছিয়ে পড়েছে।  তিন দশকে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মধ্যবিত্তরা আয় বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের ছাড়িয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০০০ সালেও কর দেয়ার পর কানাডার মধ্যবিত্তরা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের থেকে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতো। কিন্তু এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের ছাড়িয়ে গেছে। ইউরোপের গরিবরা যুক্তরাষ্ট্রের গরিবদের থেকে বেশি আয় করে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ৩৫ বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে এসব পার্থক্য পাওয়া গেছে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রের আয় বাড়লেও, এমনকি অনেকের চেয়ে অনেক বেশি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্র একটি অংশের মানুষই এর পুরো সুফল ভোগ করছে। ২০১০ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের আয়ের স¤পরিমাণ আয় করতে শুরু করে কানাডার মধ্যবিত্তরা, আর তারপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের তারা ছাড়িয়ে গেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোয় মধ্যবিত্তদের আয় এখনও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের থেকে পেছনে থাকলেও এদের মধ্যে পার্থক্য কমে এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের মধ্যবিত্তদের আয় তো প্রায় ধরি ধরি করছে। একদশক আগে এসব দেশগুলোর মধ্যবিত্তরা অনেক পিছিয়ে ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের তুলনায় দেশটির ২০ শতাংশ নিম্নবিত্তদের সংগ্রাম আরো কঠিন কঠোর। কানাডা, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের নিম্নবিত্ত একটি পরিবারের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নবিত্ত একটি পরিবারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অথচ ২৫ বছর আগে এর উল্টোটাই সত্য ছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য