Bank chakবিরল (দিনাজপুর) থেকেঃ বিরলে পে-অর্ডার জালিয়াতি করে হাট বাজার-ইজারা বন্দোবস্ত কমিটির চোখে ধুলা দিয়ে হাট ইজারা নিলেও পে-অর্ডার ভাঙ্গাতে গেলে রুপালী ব্যাংক লিঃ বিরল শাখা ব্যাবস্থাপকের হাতে জালিয়াতি করা পে-অর্ডার ধরা পড়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপক পে-অর্ডার জালিয়াতির ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বিরল পৌরসভার একমাত্র বিরল হাট-বাজার ইজারা দেয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে বিরল উপজেলার জসরাল গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র মোকারম হোসেন পান্না ইজারা দরপত্র ক্রয় করে। পরবর্তীতে ৮ লাখ ৫২ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরে ইজারা গ্রহন করেন। এ টাকা পরিশোধের জন্য মোকারম হোসেন পান্নার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন মানিকের নামে রুপালী ব্যাংক লিঃ বিরল শাখায় ২০০ ও ৩০০ টাকার পৃথক দু’টি পে-অর্ডার নামে করা হয়।

উক্ত পে-অর্ডার দু’টিতে জালিয়াতি করে যথাক্রমে ২ লাখ ও ৩ লাখ টাকা দেখিয়ে ইজারা গ্রহনকারী হাট-বাজার ইজারা বন্দোবস্ত কমিটির নিকট দাখিল করেন। বিরল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ঐ পে-অর্ডার দু’টি কালেকশনের জন্য সোনালী ব্যাংক লিঃ বিরল শাখায় জমা দিলে গতকাল সোমবার সোনালী ব্যাংক লিঃ উক্ত পে-অর্ডার কালেকশনের জন্য রুপালী ব্যাংক লিঃ বিরল শাখায় দিলে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের সন্দেহ হলে পে-অর্ডার দু’টি আটক করে রাখেন।

এ ব্যপারে মোশারফ হোসেন মানিকের ০১৭১৩৭১২৭১৮ নং নম্বরে ফোন করা হলে রিসিভ না করায় তাঁর মতামত জানা যায়নি। এ ব্যপারে রুপালী ব্যাংক লিঃ বিরল শাখার ব্যবস্থাপক শাহ্ সুফিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জালিয়াতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। বিরল পৌর প্রশাসক ও ইউএনও আব্দুল্লাহ আল খায়রুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে পে-অর্ডার জালিয়াতির সাথে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেছেন।

পে-অর্ডার জালিয়াতির বিষয় ব্যাংক লিখিতভাবে অবহিত করলে ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে তিনি জানান। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত জালিয়াতির পে-অর্ডার দু’টি ব্যবস্থাপকের সংরক্ষনে ছিল। এ জালিয়াতির ঘটনায় বিরলে ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য