বেদনা বিধুর ১০ অক্টোবর। আজ নির্মম গণহত্যার শিকার শতাধিক নিরীহ জনতা। ৭১-এর ১০ অক্টোবর ভোর বেলায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পাক সেনারা নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে নিরীহ মানুষদের।

নবাবগঞ্জের পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্চপুর) সেই গণহত্যা দিবস আজ। বর্তমানে শহীদদের স্মরণে সেখানে একটি স্মৃতিমিনার স্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শহীদদের স্মরণে সেখানে বিভিন্ন সংগঠনের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই দিনে হানাদার বাহিনী তাদের দোসরদের সাথে নিয়ে ওই গ্রামে গণহত্যা চালিয়েছিল। এতে প্রায় ১৫৭ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। ওই দিনটির কথা যারা বেঁচে আছেন তারা আজও ভুলতে পারেন নাই।

জানা যায়, পাক হানাদার বাহিনীর উপর মুক্তি সেনারা হামলা চালিয়েছিল বিরামপুর উপজেলার বিজুল নামক স্থানে। এরই প্রেক্ষাপটে প্রতিশোধ নিতে তারা চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্জপুর) গ্রাম ঘেরাও করে গ্রামের মানুষকে একত্র করার পর লাইন করে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল।

তখন এদের মধ্যে কেউ কেউ আহত হয়েছিল। ওই ঘটনার প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের ভাষায় হানাদার বাহিনীর নারকীয় ওই হত্যাকান্ডের পর কাপড়ের অভাবে লাশে কাফনের কাপড় হিসাবে শাড়ী ও মশারীর কাপড় ব্যবহার করে এক কবরে একাধিক লাশ দাফন করা হয়েছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য