মো: ইউসুফ আলী, আটোয়ারী পঞ্চগড়ঃ পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের পানিশাইল গ্রামের মৃত মাহাতাব আলীর পুত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা (৫৬) একই এলাকার মোঃ নূর আমিনের কন্যা মোছাঃ রুনা বেগম(২৩)-এর সহিত গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে ৫লক্ষ ১ টাকা মোহরানা ধার্য্য করে রেজিস্ট্রি কাবিন মুলে বিবাহ হয়।

বিবাহের পর হতে স্বামী সহ পরিবারের সদস্যরা ২লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবীতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। সবশেষে গত ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ বিকেলে পরিবারের লোকজন সহ গোলাম মোস্তফা তার স্ত্রী রুনা বেগমকে মারপিট করে টেনে হেচড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। রুনা বেগম ৬ সেপ্টেম্বর হতে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মোছাঃ রুনা বেগম বাদী হয়ে তার স্বামী গোলাম মোস্তফাকে প্রধান আসামী ও মোস্তফার ছোটভাই মোঃ শাহাজাহান আলী(৪৫), শাহাজাহানের স্ত্রী মোছাঃ রাণী (৩৫), মোস্তফার পুত্র মোঃ অভি (২২) কে আসামী করে গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে পঞ্চগড় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এব্যাপারে গোলাম মোস্তফা বলেন, রুনা বেগমকে আমি ভালবেসে বিয়ে করেছি। সে আমার স্ত্রী। যৌতুকের বিষয়টি মিথ্যা। সে কারো প্ররোচনায় পড়ে মামলা করেছে।

রুনা বেগম বলেন, মোস্তফার সাথে বিয়ের পর থেকে আমি বাবা-মা সহ প্রতিবেশীদের কাছে অপরাধি হয়েছি। আমার লেখাপড়া সহ জীবনটা ধ্বংস হয়ে গেছে। ধামোর ইউপ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, গোলাম মোস্তফা ধামোর ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বার। তার আর্থিক অবস্থা ভাল। মোস্তফা’র সাথে রুনার ইতিপুর্বে বিয়ে হয়েছিল এবং তালাকও হয়েছিল। যা আমার ইউনিয়ন পরিষদে বসে আমার মধ্যস্থতায় রুনাকে ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মোস্তফার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটানো হয়। কিছুদিন পর
শুনছি আবারো সে ওই রুনাকে বিয়ে করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য